বিশেষ প্রতিবেদক : ঈদে সড়ক ও রেলপথের ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে ঢাকাবাসীর বড় একটি অংশই নদীপথে প্রিয়জনের টানে ঘরে ফেরেন। যার ব্যতিক্রম হবে না এবারও। তাই দক্ষিণাঞ্চলের ১৭টি জেলার মানুষকে ৪১টি নৌ-রুটের মাধ্যমে ঘরে পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে দুই শতাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ।
এছাড়া নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতে যাত্রীরা টার্মিনাল থেকে লঞ্চে উঠতে পারেন সেজন্য প্রস্তুত বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ পুলিশও। একদিনে সব গার্মেন্টস ছুটি না দেয়ার আহবান জানিয়ে বিএডব্লিউটিএ বলছে, এবারে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই কোন লঞ্চ ছাড়তে দেয়া হবে না।
এছাড়া নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতে যাত্রীরা টার্মিনাল থেকে লঞ্চে উঠতে পারেন সেজন্য প্রস্তুত বিআইডব্লিউটিএ ও নৌ পুলিশও। একদিনে সব গার্মেন্টস ছুটি না দেয়ার আহবান জানিয়ে বিআডব্লিউটিএ বলছে, এবারের ঈদে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই কোন লঞ্চ ছাড়তে দেয়া হবে না।
সদরঘাটে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঈদে যাত্রীদের নিরাপদে ঘরে পৌঁছে দিতে লঞ্চ মালিকরা যে যার সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন।
মালিকরা বলছেন, যাত্রীদের চাপ সামলাতে ২২শে জুন থেকেই বেশীর ভাগ রুটে প্রতিটি লঞ্চ দিয়ে ডাবল ট্রিপের পাশাপাশি স্পেশাল সার্ভিস চালু করবেন তারা। এছাড়া ঈদ পরিকল্পনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথাও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
লঞ্চ মালিকেরা বলেন, ‘আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে তারপর পরেই আমরা লঞ্চ পরিচালনা করবো। যদি বিপদ সংকেত দেওয়া হয় আমরা লঞ্চ পরিচালনা করবো না। আমরা ডাবল ট্রিপ দিচ্ছি এতে করে যাত্রী চাপটা কমে যাবে।’
বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে নদীপথে প্রায় ৪০ লাখ যাত্রীকে নির্বিঘ্নে ঘরে পৌঁছে দিতে ২০৫টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে। যাত্রীরা যাতে ভোগান্তি ছাড়া লঞ্চে উঠতে ও নামতে পারে সেজন্য সদরঘাট পন্টুনে ঈদের আগে ও পরের ৫দিন হকার বসা ও ভ্যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ ঢাকা নদী বন্দর যুগ্ম পরিচালক মো. গুলজার আলী বলেন, ‘ঈদের আগে মালামাল পরিবহন নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চারটি ভাগে লঞ্চকে ডিসেন্ট্রালাইজ করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিআইডব্লিউটিএ-র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হকের দাবি, একদিনে সব গার্মেন্টস ছুটি দেয়ার কারণেই লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহনে বাধ্য হন মালিকরা। তাই ভোগান্তি ও ঝুঁকি কমাতে আলাদা আলাদা দিনে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-কে গার্মেন্টস ছুটি দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তবে ঈদে নদীপথে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সাধারণ যাত্রীদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট





