× Banner
সর্বশেষ
নেপালে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস : সরকারি ছুটি, দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, স্মরণ ও নানা কর্মসূচি আজ বুধবার (৫ আগস্ট) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ৫ আগস্ট বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার দেশে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের আড়াই লাখেরও বেশি ব্যক্তি পাবেন মাসিক সম্মানি

ডেস্ক

নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করি -সিইসি

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন
অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করি

বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় ডেকেছি। যদি কেউ এটাকে কূটকৌশল মনে করতে চান, তবে এটি নির্বাচন কমিশনের কূটকৌশল হতে পারে, সরকারের নয়। আর নির্বাচন কমিশন কখনোই কূটকৌশল হিসেবে এই কাজটি করেনি। নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই আমরা অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করি। বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন সিইসি।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আপনাদের উদ্দেশ্যে দুটো কথা বলব। গণমাধ্যমে দেখেছি আমাদের এখান থেকে আমরা অনানুষ্ঠানিক পত্রে বিএনপি মহাসচিবকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, আনুষ্ঠানিক নয়। আনুষ্ঠানিক হচ্ছে সংলাপ, অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অংশ নিতে পারেন, এমন একটি চিঠি দিয়েছিলাম গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) শেষ বেলায়। বিভিন্ন বক্তব্য থেকে মনে হয় চিঠিটা ওনারা পেয়েছেন। আমার কাছে কোনো ইয়ে… আসেনি। তবে আমি ধরেই নিয়েছি ওনারা চিঠিটা পেয়েছেন। ওটার মূল জিনিসটা ছিল আমরা কিন্তু সংলাপে আহ্বান করিনি। সংলাপ বিষয়টা কিন্তু আনুষ্ঠানিক। আমরা ওনাদেরকে সুস্পষ্টভাবে বলেছি আনুষ্ঠানিক না হলেও অন্তত অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় আসতে পারেন। আমরা এই আমন্ত্রণ, আহ্বান অত্যন্ত বিনীতভাবে জানিয়েছি। ’

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন মনে করে গণতন্ত্রের স্বার্থে, নির্বাচনের স্বার্থে বিশেষ করে দলগুলোর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন। সংসদীয় গণতন্ত্রে দলীয় শাসনটাই হচ্ছে মূখ্য। বিদ্রোহী প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর দ্বারা কখনো সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। সেজন্য নির্বাচন কমিশনেরও লক্ষ্য আমাদের দলগুলো চর্চার মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ হোক, আরও সংহত হোক। দলীয় চর্চা এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চা আরও সংহত হোক। সেটা আমাদের প্রথমদিন থেকে সদিচ্ছা। সেই সদিচ্ছার প্রতিফলন আমাদের প্রথমদিন থেকে, সব সময় আপনাদের (গণমাধ্যমের) মাধ্যমে ঘটানোর চেষ্টা করেছি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..