× Banner
সর্বশেষ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের

চিলমারীতে সরকারীভাবে ধান ক্রয়ের লটারীর কৃষক তালিকায় ভয়ানক অনিয়ম

Ovi Pandey
হালনাগাদ: সোমবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২০

এস, এম নাজমুল আলম, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ  কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারীভাবে ধান ক্রয়ের লটারিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকার লটারীতে মৃত ব্যক্তির নামসহ নানান অভিযোগ। জমিজমা না থেকেও  লটারিতে নাম বিজয়ী হয়েছে অনেক কৃষক।

কৃষকের বদলে  সিন্ডিকেট কৌশল অবলম্বনে দালাল-ফড়িয়ারা ধান দিচ্ছেন সরকারি গুদামে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সুত্রে জানা যায়, চিলমারী উপজেলায় চলতি বছরে আমন ধান ২৬ টাকা কেজি দরে ৮৮১ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।
কর্তৃপক্ষের সিন্ধান্ত মোতাবেক লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হলেও তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায়। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত ব্যক্তি আঃ মজিদ, পিতা আকবর আলীর নাম উঠে। থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদের মৃত ব্যক্তির তালিকায় তার মৃত (সিরিয়াল নং-১৪৯৬)।

এছাড়াও লটারীতে এমন কৃষকের নাম উঠেছে যার বিন্দুমাত্র জমিও নেই। শুধু তাই নয় মৃত্যু ব্যক্তির নামও তালিকায় প্রকাশ পায়। সরকারিভাবে ধান ২৬ টাকা কেজি দরে দাম নির্ধারণ করে ক্রয় করা হলেও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত কৃষকরা। শুধু তাই নয় সিন্ডিকেটের লোকজন কৌশলে কৃসকদের কাছ থেকে কৃষি কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং ব্যাংক হিসাবের চেক হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যাংক হিসাব না থাকা কৃষকদের ব্যাংক হিসাবও খুলে দিচ্ছেন সিন্ডিকেটরা।

এ ব্যপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কুমার প্রণয় বিষাণ দাস বলেন, তালিকাগুলো অনেক আগে করা হয়েছে। তাই এ রকম হতে পারে । কিন্তু মৃত ব্যক্তির নাম কিভাবে আসলো তা  ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ দিকে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, কৃষকরাই ধান নিয়ে আসছে গুদামে । যদি এমন অভিযোগ থাকে তাহলে সেটির দায় দায়িত্ব কৃষি অফিসে। কারণ কৃষক তালিকা তৈরী সম্পুর্ন  কৃষি অফিস করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ, ডব্লিউ, এম রায়হান শাহ্ বলেন, কৃষি অফিসের তালিকা অনুযায়ী লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে, লটারীতে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকেই ধান নেয়া হচ্ছে। কৃষকদের বদলে ফড়িয়া বা দালাল সিন্ডিকেট বা তালিকায় কোন প্রকার অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..