× Banner
সর্বশেষ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের

পিআইডি

পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ
বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ

ঢাকা: পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যবহার বাড়াতে দেশের প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাটের স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম।

আজ (সোমবার) সাভারের জৈনাবাড়ীতে জুট ফাইবার বিডির ব্যাগ উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পাইলট প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত পাটের স্কুল ব্যাগের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

তিনি বলেন, পাইলট প্রকল্প সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাটের তৈরি স্কুল ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে গড়ে ২০০ জন শিক্ষার্থী হিসেবে পাইলট পর্যায়ে প্রায় ৯৯ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে পাটের স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, এসব ব্যাগ উৎপাদনের জন্য ৫৪ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে নির্বাচন করা হয়েছে। জেডিপিসি পিএলসির মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ব্যাগ সংগ্রহ করা হবে।

পাট রপ্তানি বাড়াতে উৎপাদন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে গুরুত্ব

পাট শিল্পের রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রয়োজনীয় পাট বীজের একটি অংশ আমদানি করতে হয়। পাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, পাট চাষিদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা এবং পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পাট জাগ দেওয়ার পানির সংকট সমাধানে খাল খনন

শরিফুল আলম বলেন, দেশের অনেক নদী, খাল ও নালা ভরাট হয়ে যাওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানির সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা সময়মতো পাট জাগ দিতে পারছেন না, যা পাটের গুণগত মান ও উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, এ সমস্যা সমাধানে খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাট চাষি ও পাট শিল্পের সুরক্ষায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..