× Banner
সর্বশেষ
ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার ফ্রান্স বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই  -যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগৈলঝাড়ায় নতুন ইউএনও’র সঙ্গে প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

টাঙ্গাইলে বাসে ধর্ষণে জড়িতদের ধরতে কাজ করছে ডিবি

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০২২
টাঙ্গাইলে বাসে ধর্ষণে জড়িতদের ধরতে কাজ করছে ডিবি

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ডাকাতদলের সদস্যদের গ্রেপ্তারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকেলে হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা  জানান।

শফিকুল ইসলাম বলেন, বাসে যেকোনো ধরনের ডাকাতির ঘটনা গুরুত্ব সহকারে দেখে পুলিশ। যদিও ওই ঘটনাটি ঢাকায় নয়, টাঙ্গাইলে ঘটেছে। তারপরও টাঙ্গাইল পুলিশের পাশাপাশি ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগও ওই ডাকাতদলের সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, মহাসড়ক ও ঢাকায় এত যানবাহন চলাচল করে যে,  এগুলো থামিয়ে চেক করা বা কোনো গাড়িতে প্যাসেঞ্জার আছে কি না, তা পরীক্ষা করা অসম্ভব একটি কাজ। হাইওয়েতে আগে বেশি বাস ডাকাতির ঘটনা ঘটত। ডাকাতি রোধের জন্য আগে বাসের স্টার্টিং পয়েন্টে এবং বিভিন্ন কাউন্টারে ছবি তুলে রাখার ব্যবস্থা ছিল, সেটি রয়েছে।

তিনি বলেন, আশুলিয়া ও টাঙ্গাইলের মতো শ্রমঘন এলাকায় আমাদের বোনেরা গার্মেন্টসে কাজ শেষে রাতের বেলায় যাতায়াত করেন। এসব এলাকায় তাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা প্যানিক বাটন বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিলাম।

বাসে প্যানিক বাটন লাগানো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের মতো ঘটনা রোধে ঢাকার কিছু কিছু বাসে প্যানিক বাটন বসানো হয়েছে। এর পেছনে যে খরচ, তা বহনে বাসমালিকরা রাজি না হওয়ায় সব বাসে বসানো সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, ডাকাতির ক্ষেত্রে প্যানিক বাটন কাজে আসবে। কারণ ডাকাতরা যদি বাসে উঠে তখন চালক প্যানিক বাটন চাপ দিলে খুব সহজে পুলিশের কাছে খবর চলে আসবে। তবে বাসে নারীদের শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের ঘটনায় অনেক সময় দেখা যায় চালক ও হেলপার জড়িত থাকেন। সে ক্ষেত্রে প্যানিক বাটন কাজে আসবে না। কারণ চালক তো তখন নিজেই অপরাধী, সে তো ওই বাটন চাপবেন না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, যেসব এলাকায় বেশি নারী শ্রমিক কাজ করেন, সেসব এলাকার বাসের চালক ও হেলপারের ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত ও বাসের নাম্বার লিখে রাখলে আপরাধীদের ধরতে পুলিশ ভালো কাজ করতে পারবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..