× Banner
সর্বশেষ
বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই নতুন ভারতের জাতীয়তাবাদ ও ডিপস্টেটের চক্রান্ত: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সরকারী এম ইউ ডিগ্রী কলেজ পদত্যাগকৃত ৩ শিক্ষক পুনরায় অবৈধপন্থায় বহালের চেষ্টা

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সরকারী মাহতাবউদ্দীন ডিগ্রী কলেজে পদত্যাগকৃত তিন শিক্ষক ৩ অবৈধভাবে পুনরায় স্বপদে বহালের চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযোগে জানা গেছে, গত ২০১২ সালে প্রভাষক শামীমা পারভীন রাষ্ট্র বিজ্ঞান, ২০১১ সালে প্রভাষক সরাফত হোসেন পরিসংখ্যান ও ২০১২ সালে প্রভাষক বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারী রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে এম ইউ কলেজে যোগদান করেন।

যোগদানের পর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে কর্তব্য অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে ওঠে। সে সময়ে তৎকালীন অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমানকে ম্যানেজ করে প্রভাষক শামীমা পারভিন ও বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, সরাফত হোসেন চট্রাগ্রাম হালি শহর ক্যাঃ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে যোগদান করেন। এবং তারা একই সাথে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে বেতন ভাতা নিতেন। এনিয়ে জাতীয় বিভিন্ন পত্র প্রত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ২০১৬ সালে তিন শিক্ষককে কলেজে পরিচালন পর্ষদের চাপের মুখোমুখি পড়তে হয়। অবশেষে অভিযুক্তরা অত্র কলেজের চাকুরী ছেড়ে দিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডলের নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছিলেন।

এ বিষয়টি কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে অবহিত করেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেন। এ প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে ১৭ আগস্ট পরিচলন পর্ষদের এক সভায় তিন শিক্ষকের পদত্যাগ পত্র গৃহিত হয়। কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট কলেজটি সরকারিকরন হওয়ায় উক্ত তিন শিক্ষক পুনরায় স্ব পদে বহাল হতে বিভিন্ন মহলে চেষ্টা তদবির করে যাচ্ছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে একটি মহল মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে পদত্যাগ পত্র গ্রহনের রেজুলেশন তথ্য গোপন করে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নিকট দেনদরবার করে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডল ওই তিন শিক্ষকের আগেই পদত্যাগ করেছিল বলে স্বীকার করে বলেন, পুনরায় স্ব পদে বহাল রাখার কোন সুযোগ আছে কি না তার জানা নেই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..