স্বাস্থ্য ডেস্ক: উপজাতিরা প্রতিদিনের খাদ্য হিসেবে কচি বাঁশের মূল খেয়ে থাকে। এর ফলে একদিকে যেমন কমে যাচ্ছে বাঁশের উৎপাদন, অন্যদিকে কাঁচামাল সরবরাহের ঘাটতি পড়ছে কর্ণফুলী পেপার মিলে।
স্থানীয় সূত্রের এক খবরে জানা গেছে, ‘জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এ উপজাতিরা দৈনিক মোট এক লাখের মতো বাঁশের মূল খেয়ে থাকে। সেই হিসাবে তারা দৈনিক ১০ লাখ বাঁশের উৎপাদন নষ্ট করছে।’
স্থানীয়ভাবে এসব বাঁশের মূল ‘বনশ কোরাল’ হিসেবে পরিচিত। ভাতের পরেই দ্বিতীয় খাদ্য হিসেবে চট্টগ্রামের ওই উপজাতিরা বাঁশের মূল খেয়ে থাকে। শুধু খাদ্য সংকটের জন্যই নয়, মাছ-মাংসের অর্থ যোগাড় করতে না পেরেই অধিকাংশ উপজাতি বাঁশের মূল খায়।
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান জেলার দুর্গম বাজারগুলোতে প্রতি বান্ডেল ৪-৫ টাকায় এসব বাঁশের মূল বিক্রি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ‘খাবার রান্নায় ব্যাপক হারে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া যখন বাঁশের চারাগাছ রোপনের সময় আসে তখন এসব মূলের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। অথচ সরবরাহ থাকে কম। ওই সময় প্রতিটা বাঁশের মূল দশ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।’
রাঙামাটি জেলা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বৃশ্ব কেতু চাকমা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই উপজাতিদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার দাবি জানান। এসব জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতা পেলেই উদ্ভূত সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে বলে মনে করেন তিনি।




