× Banner
সর্বশেষ
২০ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তফসিল ঘোষণা কমিশনের শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঢাকায় মহাসমাবেশসহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট সচিবালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন সূর্যের পৃষ্ঠে লুকিয়ে ছিল যে রহস্য বোরকাপরা নারীর ইশারায় থামে বাস, ২০ মিনিটে ৫৭ লাখ টাকা লুট লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার বিতর্কিত সেই পরিকল্পনার জন্য ক্ষমা চাইলেন ফিফা সভাপতি দেশের সব নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জেরুজালেম ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হতে জর্ডানে মুসলিম দেশগুলোর বৈঠক

করোনায় পোশাক খাতে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার ক্রয় আদেশ বাতিল

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
ক্রয় আদেশ বাতিল

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রভাবে এ পর্যন্ত (২২ মার্চ) দেশের তৈরি পোশাক খাতের এক হাজার ৮৯টি কারখানার প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের ক্রয় আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। বলেছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

রোববার রাতে বিজিএমইএর সভাপতি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলাপকালে গণমাধ্যমকে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ভয়াবহ অবস্থা চলছে আমাদের। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে তাদের ক্রেতারা সব ধরনের ক্রয় আদেশ স্থগিত করছে। বলছে স্থগিত। আসলে আমাদের জন্য এটি স্থগিত নয় বাতিল।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২২ মার্চ পর্যন্ত দেশের তৈরি পোশাক খাতের এক হাজার ৮৯টি কারখানার ক্রয় আদেশ স্থগিত করেছে। ৮৭ কোটি ৩২ লাখ ৩৬ হাজার ৬২২টি পোশাক কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। যার আর্থিক পরিমাণ ১ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, বিনিময় হার ৮৫ টাকা ধরে)। যেখানে প্রায় ১২ লাখ শ্রমিক কাজ করেন।

বিজিএমইএর সভাপতি আরও বলেন, বর্তমানে তৈরি পোশাক খাত গভীর সংকটের সময় পার করছে। একের পর এক পোশাক কারখানার ক্রয়াদেশ বাতিল হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সামনে এ খাত ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।  তাই কঠিন এ সংকটময় মুহূর্তে বায়ারদের ক্রয় আদেশ স্থগিত না করার আহ্বান জানিয়েছেন পোশাক মালিকরা। পাশাপাশি সংকট উত্তোরণে সরকারের কাছে দ্রুত অর্থায়নে জন্য বিশেষ তহবিল গঠনসহ নগদ প্রণোদনা চায় পোশাক উদ্যোক্তারা।

অপরদিকে পোশাক ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমেরিকা, ইউরোপ ও কানাডা লকডাউন হয়ে আছে। ফলে প্রত্যেক দেশের ক্রয় আদেশগুলো স্থগিত করে বার্তা পাঠাচ্ছে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এতে করে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে পোশাক খাত। এভাবে চলতে থাকলে কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেয়া সম্ভব হবে না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..