× Banner
সর্বশেষ
জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬

কিভাবে খাবার না খেয়ে বাঁচা যায়

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০১৬

আচার্য ব্রজেশ্বরানন্দ অবধূতঃ শ্বাসের দ্বারা আমরা যে বায়ু গ্রহণ করি তার মধ্যে দেহ গঠনের সব উপাদানই রয়েছে। আমরা যদি এই বায়ুকে দেহের কাজে, দেহের উপাদানে পরিণত করতে পারতাম, তাহলে আমাদের খাদ্য গ্রহণের কোন প্রয়োজনই হত না। আমরা তা পারি না বলেই দেহের বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহের জন্য আমাদের বিভিন্ন শ্রেণীর খাদ্য গ্রহণ করতে হয়।

চাল, গম, আলু, চিনি প্রভৃতি খাদ্যকে বলে কার্বোহাইড্রেড খাদ্য।  এই কার্বোহাইড্রেড খাদ্যে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পরিমিত মাত্রায় থাকে। চর্বি জাতীয় খাদ্যে কার্বনের মাত্রা সর্বাধিক। এই সব খাদ্য থেকে আমরা দেহের গ্রহণ উপযোগী কার্বন বায়ু পাই। এই কার্বন দেহের প্রাণকোষগুলি নির্মান করে। এই কার্বনই দেহে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে। আবার এই কার্বন বায়ু প্রয়োজনের অতিরিক্ত শরীরে থাকলে শরীর বিষাক্ত হয়ে ওঠে, শরীর রোগাক্রান্ত হয়।

মাছ, মাংস, ছানা, ডিম, ডাল, বাদাম প্রভৃতি নাইট্রোজেন প্রধান খাদ্য। নাইট্রোজেন প্রধান খাদ্যের নামই প্রোটিন খাদ্য। প্রোটিন খাদ্যেই শুধু নাইট্রোজেন বিদ্যমান। অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন, সালফার, ফসফরাস প্রভৃতিও এই খাদ্যে বিদ্যমান। নাইট্রোজেন প্রধান খাদ্য বা প্রোটিন খাদ্যই দেহের ক্ষয়-ক্ষতি পূরণ করে, ধ্বংসপ্রাপ্ত কোষগুলিকে পুনর্গঠিত করে।

শাক-সব্জী, রসাল ফল, জল ও অন্যান্য পানীয়ই হাইড্রোজেন প্রধান খাদ্য। হাইড্রোজেন প্রধান খাদ্যের অভাব হলে দেহযন্ত্র অচল হয়ে যায়। দেহ-সঞ্চিত  বিষ দেহ থেকে বের হতে পারে না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..