× Banner
সর্বশেষ
চাকরি না খুঁজে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হোন – মির্জা ফখরুল দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে – বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকে বড় মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৭ জুলাই থেকে শুরু ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

পিআইডি

ঐকমত্য কমিশনের সাথে আরো দুই রাজনৈতিক দলের আলোচনা অনুষ্ঠিত

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫
রাজনৈতিক দলের আলোচনা

সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে ঐকমত্য কমিশনের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনস্থ এল. ডি হলে বাংলাদেশ বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ ছাড়াও সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল করিম জাহিদ এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশুর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে।

আলোচনার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, কমিশনের মেয়াদ ১৫ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে৷ আমরা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করতে চাই৷ যা রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতার উপর নির্ভর করছে। এ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে অভূতপূর্ব, অভাবনীয় এবং অবিশ্বাস্য সহযোগিতা পেয়েছি। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে যেসব বিষয়ে আমাদের মতের মিল বা অমিল রয়েছে তা চিহ্নিত করে পরবর্তী সময়ে জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নিতে পারবো।

সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯ টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। এ পর্যন্ত ৩৪টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে কমিশন মতামত পেয়েছে।

সংস্কার কমিশনগুলোর করা সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ইতোমধ্যে ১১টি রাজনৈতিক দলের সাথে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শেষ করেছে কমিশন৷ আগামী ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র সাথে কমিশনের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন হতে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..