তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা শুধু অর্থ বা মূলধন নিয়ে আসেন না; এর সঙ্গে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চাও দেশে আসে। বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী, উদ্যোক্তা-মনোভাব এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দক্ষতার সঙ্গে এসব সক্ষমতার সমন্বয় ঘটানো গেলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
রবি আজিয়াটা পিএলসি’র বাংলাদেশে কার্যক্রমের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, গত তিন দশকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এই রূপান্তর মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নাগরিক সেবা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।
তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে হলে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিপরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকার, শিল্পখাত এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে নিয়মিত ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমে বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা এবং আধুনিক ডেটা অবকাঠামো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, গত ৩০ বছরে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে যে শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে আগামী ৩০ বছরের প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিক রিজাল কামিল বলেন, ১৯৯৭ সালে একটেল হিসেবে যাত্রা শুরু করা রবি বর্তমানে বাংলাদেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও উদ্ভাবনী সেবার অন্যতম অংশীদারে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় আজিয়াটা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, রবি আজিয়াটা পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও জিয়াদ শাতারাসহ আজিয়াটা গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





