বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি লিথুয়ানিয়ায় নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দেশের দ্বিতীয় ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় (পূর্ব ও পশ্চিম) অনুবিভাগের সচিব রাষ্ট্রদূত ড. মো. নজরুল ইসলাম। লিথুয়ানিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস-মিনিস্টার ভিদমান্তাস ভারবিকাস।
বৈঠকের শুরুতে নিয়মিত ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করা হয়।
আলোচনায় রাজনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, উচ্চপর্যায়ের সফর, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, ই-গভর্ন্যান্স, সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা, পর্যটন ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় উঠে আসে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লিথুয়ানিয়ার বিনিয়োগকারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি ইইউর ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি লিথুয়ানিয়ায় নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
এদিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে লিথুয়ানিয়া। আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে দেশটি।
বৈঠকে ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৩৫ বছর পূর্তি যথাযথভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।





