২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘এ লেপ্রসি-ফ্রি বাংলাদেশ: এভিডেন্স, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ব্লুপ্রিন্ট টু সাকসেস-জয়েন্ট মনিটরিং মিশন অন লেপ্রসি ইন বাংলাদেশ কিক-অফ মিটিং’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
সীমাবদ্ধতার মাঝেও স্বাস্থ্যসেবার অগ্রগতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জনঘনত্বের কারণে বাংলাদেশ কুষ্ঠের মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও দেশের বিশাল জনসংখ্যাই মূল শক্তি।
নানা সামাজিক ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং জনসংখ্যার চাপ সত্ত্বেও চিকিৎসকরা অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন বলে তিনি তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
আন্তর্জাতিক ও এনজিও অংশীদারিত্ব কুষ্ঠ নির্মূলে আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা তুলে ধরে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন এনজিও অংশীদাররা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সহায়তা প্রদান করে আসছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কৌশলগত সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সরকারের অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত লক্ষ্য অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে পুরোপুরি কুষ্ঠমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, কারিগরি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
উক্ত অনুষ্ঠানে ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, ডা. রাজেশ নারওয়াল, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, প্রফেসর ডা. তাকাহিরো নানরী, শেখ মোমেনা মনি, ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদ, ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ এবং ডা. মাহবুব আরেফিন রেজানুরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডা. আফসানা আলমগীর খান, ডা. আয়া ইয়াজিমা ও ডা. ভিভেক লাল।





