× Banner
সর্বশেষ
পাইকগাছায় নার্সারীতে গুটি কলম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা  মুসলিম ন্যাটো ঘোষণা মিঠুনকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমেরিকার আদালতে মেটাকে ৫ হাজার কোটি টাকা জরিমানা প্রচলিত আইনেই হবে গুম-খুন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নৃশংসতার বিচার: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের দাবী সুপ্রিম কোর্টে ২৬৫ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ: সংখ্যালঘু না থাকায় প্রতিক্রিয়া ইতালি যাওয়ার পথে লিবিয়ায় বন্দি যুবক, দেড় বছর ধরে নেই খোঁজ! ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও পত্র তৈরি, এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারে হবে আঞ্চলিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার, কমবে মাদক মামলার জট – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেশার টাকার জন্য মেয়েকে দিয়ে অনৈতিক কাজ করাতেন মা

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ পরপর দু’বার পরকীয়ার টানে সংসার ছেড়েছেন সাফিয়া আফরোজ। হয়েছেন মাদকাসক্তও। সর্বশেষ স্বামীর সঙ্গে মিলে আরেকটা জঘন্য ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। নিজের মেয়েকে দেহ ব্যবসা করতে বাধ্য করতেন তিনি। তার স্বামী নিজেও সৎ মেয়ের সর্বনাশ করতো।

রাজধানীর পল্লবীতে একটি বহুতল ভবনে আটকে রেখে এক কিশোরী মুন্নীকে (ছদ্মনাম) এসব অবৈধ কাজে বাধ্য করতেন তার মা ও সৎ বাবা। মুন্নীর এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মঙ্গলবার পৌনে ১২টার দিকে পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের গাইনী বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এর আগে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নানার বাড়িতে এসে নানাকে সব অবহিত করেন মুন্নী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে মুন্নীর মা পরকীয়ার টানে সংসার ত্যাগ করেন। তারপর থেকেই মুন্নী রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তার নানা আবুদল বাতেনের বাসায় থাকতেন। এদিকে মুন্নীর মা দ্বিতীয় স্বামীকেও ছেড়ে দিয়ে সৈয়দ আলম টিপু নামে অন্য আরেকজনের সাথে প্রেম করে বিয়ে করে। সৈয়দ আলম টিপু দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোর বিজ্ঞাপন সেকশনে কাজ করতেন। এখন বেকার। দেড়বছর আগে মুন্নীর সৎ-বাবা এই সৈয়দ আলম টিপু ও তার মা মেয়েকে পড়ালখা করানোর কথা বলে নানার কাছ থেকে নিয়ে আসেন। মেয়েকে তারা মিরপুর, পল্লবীর সাড়ে ১১ নম্বরের ‘শতাব্দী’ অ্যাপার্টমেন্টের একটি ফ্লাটে আটকে রেখে অবৈধ কাজ করতে বাধ্য করেন। মুন্নী রাজি না হলে তার উপর পাশবিক নির্যাতনও চালাতেন তারা।

মুন্নীর নানা আবদুল বাতেন বলেন, ‘মুন্নীর মা–বাবার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে সে আমার কাছেই মানুষ হয়। কিন্তু দেড় বছর আগে পড়ালেখা করানোর কথা বলে মুন্নীর মা ও সৎ বাবা আমার কাছ থেকে তাকে নিয়ে যায়। তারপর থেকে মা মুন্নীকে আমার বাসায় আর আসতে দিতো না তারা। গত শুক্রবার মুন্নী পালিয়ে আমার কাছে ফিরে এসে সব ঘটনা বলে দেয়। আবদুল বাতেন আরো বলেন, ‘মুন্নীর মা ও সৎ বাবা দু’জনই ইয়াবা আসক্ত। সৎ বাবা সৈয়দ আলম টিপু নিজেও তার সাথে অবৈধ কাজ করার জন্য মুন্নীকে বাধ্য করতো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..