× Banner
সর্বশেষ

ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি সরকারের

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ
শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে ধর্মীয় স্থাপনাগুলো থেকে নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ উৎপাদনকারী লাউডস্পিকার অপসারণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এটি কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নয়; বরং ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ। বলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। লাউডস্পিকার অপসারণ

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তিনি জানান, ৫০ ডেসিবেলের বেশি শব্দ উৎপন্ন করে এমন লাউডস্পিকার ধর্মীয় স্থান থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমে মসজিদ, মন্দিরসহ সব ধরনের ধর্মীয় স্থাপনার ক্ষেত্রে একই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ২৯৯টি লাউডস্পিকার অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ২০৩টি মসজিদ এবং ১ হাজার ৯৬টি মন্দির থেকে সরানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

সরকার আরও জানায়, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক লাউডস্পিকার অপসারণ করা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করেই কাজ করছে এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতাও পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে, অল বেঙ্গল ইমাম অ্যান্ড মুয়াজ্জিন অ্যাসোসিয়েশনের নেতা নিজামউদ্দিন বিশ্বাস মসজিদ পরিচালনা কমিটিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা লাউডস্পিকার অপসারণে এলে বাধা না দিয়ে সহযোগিতা করা উচিত। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

অন্যদিকে, এজেইউপি প্রধান ও নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, লাউডস্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলা নিয়ে কোনো আপত্তি নেই। তবে তাঁর অভিযোগ, উন্নয়নমূলক বিষয়ের পরিবর্তে বারবার লাউডস্পিকার, কোরবানি ও আজানের মতো ইস্যুকে রাজনৈতিক আলোচনায় সামনে আনা হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..