× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়
ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ব্যয় ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির এক শুনানিতে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। শুনানিতে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনের সঙ্গে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রায় ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। প্রস্তাবিত বাজেটের মধ্যে ইরান-সংক্রান্ত সামরিক কার্যক্রমের জন্য প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের বিষয়ও আলোচনায় আসে।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর ডিক ডারবিনের প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ বলেন, বর্তমান সরকারি হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধ পরিচালনায় ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তিনি জানান, এই হিসাবের মধ্যে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের কিছু ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন গত মে মাসে যুদ্ধের ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছিল। নতুন হিসাবে সেই অঙ্ক প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।

তবে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি হিসাব যুদ্ধের প্রকৃত আর্থিক প্রভাব পুরোপুরি তুলে ধরে না। মুডিস অ্যানালিটিকসের এক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও অন্যান্য পরোক্ষ অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় নিলে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ব্যয় ১৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার জবাব দেওয়া হবে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, সেতু এবং কৌশলগত স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে আরও হামলার হুমকি দেন। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর আশপাশে ইরানের প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে সামরিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরানও এ অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

শুনানিতে পিট হেগসেথ বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন অস্ত্রের মজুতের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি রকেট মোটর, জেডিএএম (JDAM), হাইপারসনিক অস্ত্র এবং ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির উৎপাদন বাড়াতে অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সময়মতো বাজেট অনুমোদন না হলে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সামরিক প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..