× Banner
সর্বশেষ
চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকে অভিনন্দন জানা‌লো বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় দ্যা নিউজ ডটকমের সড়কের আগাছা পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শার্শার গোগায় ট্রাক্টর ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ মালয়েশিয়া সীমান্তে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ৭৩ জন আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সোলার প্যানেল স্থাপনের আগ পর্যন্ত মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটরের বিল ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করা হবে।

শুক্রবার বিকেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না। জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ধনবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দেশের অন্যতম মডেল হাসপাতালে পরিণত করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফকির মাহবুব আনাম আরো বলেন, সরকার জনগণের দৌড়গোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাই ধনবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি শিশু রোগীদের সঙ্গেও কিছু সময় কাটান। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের সেমিনার কক্ষে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মধুপুর, ধনবাড়ী, গোপালপুর ছাড়াও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, জামালপুরের সরিষাবাড়ী ও ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রোগীরাও এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। ফলে প্রতিদিন বিপুল রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে হাসপাতালটিকে।

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, ২০২০ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখনো প্রয়োজনীয় রাজস্বখাতের জনবল সৃষ্টি হয়নি। একই সঙ্গে এমএসআর, বিদ্যুৎ বিল, পৌরকর ও ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সীমিত জনবল দিয়েই ১০০ শয্যার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের অতিরিক্ত চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ ১০০ শয্যার হাসপাতাল পরিচালনার জন্য নতুন স্টোর ভবন, সীমানা প্রাচীর, সোলার প্যানেল, সাবমারসিবল মোটর ও পানির লাইন, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পিট, চিকিৎসকদের ডরমিটরি এবং কর্মচারীদের কোয়ার্টার নির্মাণের দাবি জানায়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র সরবরাহের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মো. জুবায়ের হোসেন, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..