× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘে সরকারের ভিশন তুলে ধরছেন বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

ACP
হালনাগাদ: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
জাতিসংঘে সরকারের ভিশন তুলে ধরছেন বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

জাতিসংঘে বিশেষ করে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকরা, সক্রিয় বহুপক্ষীয় কূটনীতির মাধ্যমে নবনির্বাচিত সরকারের এজেন্ডা ও ভিশন তুলে ধরছেন।

জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জাতিসংঘের বিভিন্ন দফতর ও সংস্থায় শক্তিশালী ও গতিশীল উপস্থিতি গড়ে তুলছেন। তারা প্রচলিত কূটনীতির গণ্ডি পেরিয়ে শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়নসংক্রান্ত বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সক্রিয় কূটনীতি’ হিসেবে বর্ণিত তাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বিশ্ব গঠনের অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে বহুপক্ষীয় কূটনীতি এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মূল্যবান ও নিরলস প্রচেষ্টাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। এই লক্ষ্য নিয়েই ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।’

শনিবার জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদিবস পালন উপলক্ষে এ মন্তব্য করা হয়। দিবসটি সংলাপ, সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় সমাধান এগিয়ে নিতে প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেয়।

বাংলাদেশ মিশনের মতে, প্রতিনিধিরা সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বহুপক্ষীয়তার চেতনাকে ধারণ করেন। তারা মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়নগত সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা হুমকিসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করেন।

তাদের বহুপক্ষীয় কূটনীতির মূলভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আলোচনা, সমঝোতা ও সমন্বিত কূটনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তারাই জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে কার্যকর করে তোলেন।

প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং জেনেভা, ভিয়েনা, নাইরোবি, রোম ও প্যারিসের কার্যালয়গুলোতে নিজ নিজ দেশের স্বার্থ তুলে ধরেন, মানবাধিকার ও উন্নয়নকে এগিয়ে নেন, শান্তি রক্ষা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগে অংশ নেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..