× Banner
সর্বশেষ
পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি সরকারের আজ ৭ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ শ্রাবণ শুক্রবারের দিনপঞ্জি ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ

যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহন শেষ, চলছে গণনা 

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০

যশোর প্রতিনিধি: যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন ভোট গণনা চলছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোট গ্রহণ চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এই আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও যশোর নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যশোর -৬ কেশবপুর উপজেলার ৭৯টি কেন্দ্র ৩৭৪টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে দুই লাখ তিন হাজার ১৮ জন ভোটার ভোট প্রদানের মাধ্যমে প্রায় ছয় মাস অভিভাবকহীন এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, প্রাথমিক হিসাবে ৬০ ভাগ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যথাসময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে জাপা প্রার্থী হাবিবুর রহমান নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার অভিযোগ, বিভিন্ন সেন্টারে জাতীয় পার্টির পুলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। তার পরেও ভোট গনণায় কোন কারচুপি না হলে; বিজয় নিয়ে শতভাগ আশাবাদী তিনি। অন্যদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহীন চাকলাদার বলেছেন, ভোট সুষ্ঠভাবে ও সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি নিজ উদ্যোগেও প্রতিটি কেন্দ্র স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী রাখা হয়েছিলো। তিনিও জয়ের উপর শতভাগ আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।
এদিকে ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত ছিলো। নির্বাচনী এলাকায় দুইজন জুডিশিয়াল ও ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন। ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ছিলো। ১৮টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের ছয়টি টিম নির্বাচনের মাঠে সার্বক্ষণিক কাজ করেছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। এরপর বিজ্ঞপ্তি জারি করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৯ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও তার এক সপ্তাহ আগে করোনার কারণে ২২ মার্চ ওই নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী ২৭ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাবিবুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ জুলাই ভোটবর্জন করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..