× Banner
সর্বশেষ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের

নাগেশ্বরীতে সড়কের বেহাল দশায় ভোগান্তিতে হাজার মানুষ

Ovi Pandey
হালনাগাদ: রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

রতি কান্ত রায়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ডাকনিরপাট পর্যন্ত আট কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ এই সড়কে নিয়মিত চলাচল করলেও দীর্ঘ সাত বছর নেই কোন মেরামত। যাতে বিভিন্ন সময় ঘটছে দুর্ঘটনা।
পৌরসভা মেয়রের দাবি, সড়ক বিভাগকে বার বার তাগাদা দিলেও নেয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দে ভরা সড়ক। অথচ সাত বছর ধরে হয় না, মেরামতের কাজ। এতে বিষিয়ে উঠেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ডাকনিরপাট বাজারে চলাচলকারী মানুষের জীবন। ভুক্তভোগী পথচারীরা জানান, এই রাস্তা এতই বাজে যে, চলাচলের অবস্থা নেই। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে, গাড়ির ব্রেক ঠিকমতো রাখা যায় না। রোগী এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে গেলে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে যায়। ১০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকার নিচে আসা যায় না।
সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন ৭টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ। যার মধ্যে আছেন, শতাধিক শিক্ষার্থীও। ভাঙা-চোরা সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। নাগেশ্বরী পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহমান এ জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগকে দুষছেন। তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে বলা হয় টেন্ডার হইছে কিন্তু কে টেন্ডার পাইছে বা ঠিকাদারের নাম কি জানতে চাইলে কিছুই বলছে না সড়ক ও জনপথ বিভাগ। আর সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, মেরামতের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী নূরায়েন জানান, আমরা খুব শিগরই অথবা আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই আমাদের কাজগুলো সম্পন্ন হয়ে গেলে যান চলাচল সহজ হয়ে যাবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে দ্রুত কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..