× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

বেরিয়ে এল সেই কুদরতি পাথরের আসল রহস্য

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

রাই-কিশোরী : বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ এটিকে অলৌকিক, কুদরতি হিসেবে জানে। বলা হয়ে থাকে ১৪০০ বছর আগে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) পাথর দুটি বেধে রেখে গেছিলেন। সেই পর্যন্ত পাথর দুইটি আজও শুন্যের মধ্যে ঝুলে আছে।

মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন মাত্র ৬ দিনে এই পৃথিবী  সৃষ্টি করেছেন। আর এই পৃথিবীতে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন তার নিজের স্বকীয়তা প্রমাণের জন্য আমাদের জন্য অনেক নিদর্শন সৃষ্টি করে রেখেছেন তাঁর মদ্ধ্যে এতি একটি। তিনি এমন অনেক অলৌকিক বিষয়ের অবতারণা করেছেন  এই পৃথিবীতে যাতে আমরা তার পরিচয় ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারি এবং তার উপর বিশ্বাস করি।

কিন্তু আসলে এই পাথরের কোন অলৌকিক ক্ষমতা নেই কারন এটা একটা ভাস্কর্য। এই ভাষ্কর্যটি  স্থাপন করা হয়েছে মিশরের কায়রো বিমানবন্দরের প্রবেশপথে।

২০০৮ সালে নির্মাণ করা হয় পাথরটি জার নির্মাতা ভাষ্কর শাবান আব্বাস। ভাষ্কর্যটির এভাবে অবস্থান করতে পারে কারণ পাথরগুলো আসলে পাথর নয়, পাতলা মাইল্ড স্টিলের শিট যার বাইরের দিকে পাথরের মতো রং করা হয়েছে। আর দড়িটি মূলত লোহার রড যা নিচের পাথরের ভুমি সংলগ্ন অংশের ভেতর দিয়ে ভুমির সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করা। শুধুমাত্র বিনোদন আর মানুষের দৃষ্টি ভ্রম করার জন্য নির্মিত।

আর এসব দেখেই আমরা মনে করি এটা মহান আল্লাহ পাকের মু’জিজা বা রাসূল (সাঃ) কে দেয়া আশ্চর্য ক্ষমতা। তাই আমাদের উচিত এসমস্ত কুসংস্কার অন্ধ বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে এসে ইসলাম সঠিক ভাবে পালন করা  এবং এসব অপপ্রচার বন্ধ করা। মানুষ এখন আস্তে আস্তে সচেতন হচ্ছে। তারা মনগড়া গল্প বিশ্বাস করার আগে যাচাই করে দেখতে চায়। আর সবাই যদি আস্তে আস্তে এসব বানানো গল্প গুলো বুঝতে পারে তাহলে ধর্মের প্রতি আস্থা হারাবে। আর বিধর্মীরা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করার সুযোগ পাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..