× Banner
সর্বশেষ
আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক জোন শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের লক্ষ্য বাংলাদেশের, ‘Science to Economy’ রোডম্যাপ ঘোষণা মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অংশগ্রহণ হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু, নির্দেশনা অনুযায়ী ১৫ বছরের নিচে হজে মানা ঢামেক হাসপাতাল চত্বরে ২ নারীর লাশ উদ্ধার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়লো দেশে খাদ্য মজুত ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করা হচ্ছে এইচ-১বি ভিসায় বড় ধাক্কা? যুক্তরাষ্ট্রে তিন বছর নতুন ভিসা স্থগিতের বিল, কী পরিবর্তন আসতে পারে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা ঢাকা-নারিতা রুট পুনরায় চালু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের অপেক্ষায়, ৫৭ ধারার কোনও অস্তিত্ব থাকবে না

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইনটি পাস হলে পুলিশ কারও বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা সংস্থার মহাপরিচালক থাকবে, তার অনুমতিক্রমেই কেবল মামলা করতে পারবে। আইনটি পাস হলে ৫৭ ধারার কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। বললেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

আজ(বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, আমরা ডিজিটাল ও সাইবার ক্রাইম বন্ধ করতে চাই। মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। বর্তমানে ৫৭ ধারায় যে মামলাগুলো আছে সেগুলো বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের একটি কথা মনে রাখতে হবে সাধারণ অপরাধের চেয়ে ডিজিটাল অপরাধের প্রভাব অনেক বেশি। তাই প্রযুক্তিগতভাবে লিগ্যাল ফ্রেমের মধ্যে থেকে ডিজিটাল অপরাধ দমন করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে চায়। সেটি শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, রাজধানী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন এবং গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল হবে। কাজেই বাংলাদেশের একটি ইউনিয়নও থাকবে না, যেখানে ডিজিটালের ছোঁয়া পৌঁছাবে না।

সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে ডিসিদের সহযোগিতার বিকল্প নেই। কারণ, তারা এমনই একটি অবস্থানে থেকে দায়িত্বপালন করছেন, যাদের একদিকে মাঠ লেভেলের একদম নিম্নস্তরের মানুষ থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাই গ্রাম পর্যায়ে ডিজিটাল সেবা পুরোপুরি ভাবে পৌঁছাতে ডিসিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..