× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার দেশে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের আড়াই লাখেরও বেশি ব্যক্তি পাবেন মাসিক সম্মানি যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল – পার্থ মাদারীপুরে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ও ইতালি দূতাবাসের মতবিনিময় নদী দূষণ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান শিশুর সুপ্ত সম্ভাবনা বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ – মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

৩০০০ বছর আগের আঙুলের ছাপ আবিষ্কার!

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রত্নতত্ত্ববিদরা মিশরের একটি প্রাচীন কফিনের ঢাকনায় থাকা একটি আঙুলের ছাপ আবিষ্কার করেছেন। পরীক্ষায় জানা গেছে এ ছাপটি তিন হাজার বছর আগের। ক্যাম্ব্রিজের ফিৎজউইলিয়াম মিউজিয়াম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আঙুলের ওই ছাপটি কফিন তৈরির কাজে নিয়োজিত কোনো কারিগরের হতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। বার্নিশ করার সময় তার আঙুলের ছাপটি কফিনের ঢাকনায় থেকে যায়।

কফিনে থাকা মৃতদেহটি নেসাওয়েরশেফিট নামে একজন পুরোহিতের বলে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ওই পুরোহিত নেস-আমুন নামেও বিশেষ পরিচিত ছিলেন। তিনি মারা যান এক হাজার খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। ‘ডেথ অন দ্য নীল’ নামে প্রত্নতত্ত্ববিদদের একটি সংগঠন নতুন এ পরীক্ষা শুরু করে।
মিউজিয়ামের সংরক্ষণ বিভাগের প্রধান জুলি ডসন বিবিসিকে বলেন, গবেষকরা ২০১৫ সালে প্রথম আঙুলের ছাপটি আবিষ্কার করেন, পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়া এর আগে এটি ব্যাপকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

আঙুলের এই ছাপটি ‘মানব স্পর্শ ও আচমকা’ ঘটনা আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘এই আবিষ্কার কফিন তৈরির প্রাচীন কারিগরদের খুব কাছে নিয়ে যাবে আমাদের।’

নেস-আমুনের কফিনটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সুদৃশ্য কফিনের একটি। এটির সংরক্ষণব্যবস্থাও ছিল অভাবনীয়। কফিনটি এক্স-রেডিওগ্রাফি পরীক্ষা করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটি হসপিটাল থেকে কফিনের ঢাকনাটির সিটি স্ক্যানও করা হয়েছে।

জুলি ডসন বলেন, গবেষকরা কফিনের ভেতরটি নানা রকম কাঠ দিয়ে নকশা করা আছে। এ থেকে বোঝা যায়, কাঠও ছিল সে সময়ের বহুমূল্যবান পণ্য। কাঠ-খোদাই কারিগররা এ কাজে ছিল বেশ দক্ষ।

কফিনটির রেডিওগ্রাফি ও স্ক্যানিং করে বোঝা গেছে, প্রাচীনকালে কীভাবে কফিনকে সংরক্ষণ করা হতো। ওটি নবম শতকের লোহা দিয়ে তৈরি গৃহস্থালী পণ্যের সঙ্গে অনেকটা মিল রয়েছে।

তথ্যসূত্র : দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট অনলাইন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..