স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় দুই সন্তানের জননী স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার প্রচারনা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার কালনা গ্রামের।

থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে মর্গে প্রেরণ করেছেন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন নিহত খাদিজা বেগমের (৩৫) ভাই রুহুল আমিন। কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া গ্রামের শাহজাহান চৌকিদারের ছেলে রুহুল আমিন অভিযোগ করে বলেন, বিগত ১২ বছর পূর্বে কালনা গ্রামের বাদশা মল্লিকের ছেলে নাঈম মল্লিকের সাথে তার বোন খাদিজার সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুইটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে কারনে অকারনে নাঈম আমার বোনকে বিভিন্নভাবে শারিরিক নির্যাতন করে আসছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতের কোন এসময় পরিকল্পিতভাবে খাদিজাকে হত্যা করে তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে নাঈম ও তার পরিবারের লোকজনে।

অভিযোগ করে রুহুল আমিন আরও বলেন, আমার বোন জামাতা নাঈম অতিসম্প্রতি বরিশালের একটি মেয়ের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। বিষয়টি আমার বোন জানতে পেরে নাঈমকে বাঁধা প্রদান করে। একারণেই খাদিজাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে নাঈম বাড়ি থেকে আত্মগোপন করেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নাঈম মল্লিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোন বন্ধ থাকায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নাঈম মল্লিকের বড় ভাই সেন্টু মল্লিক বলেন, ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় বাড়ির লোকজনে খাদিজাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা খাদিজাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। গৌরনদী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।