মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রেকিং নিউজ
স্ত্রীকে ভারতে পাচারের মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবনশ্রমঘন শিল্পের বিকাশে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: শিল্পমন্ত্রীনবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধে ভোগান্তিনবীগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: হত্যা, ধর্ষণ ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৭জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণে মন্ত্রিসভার অভিনন্দনভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক অধ্যাদেশের সংশোধনী খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদনযশোরে স্কুলছাত্রী শিপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিতবেনাপোলে জমি অধিগ্রহণের টাকা পরিষোধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারক লিপিশিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ভ্যাটিকান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সেবায়েতের বিদ্রোহে সারা দিন দ্বার বন্ধ পুরীর জগন্নাথ মন্দির

সকাল থেকে মন্দিরের দরজা বন্ধ। তাই ঢুকতে পারেননি ভক্তেরা। এখানেই শেষ নয়, খোদ প্রভু জগন্নাথদেবের প্রাত্যহিক আচার-বিধি, ঘুম থেকে উঠে যাবতীয় কাজকর্ম, তাঁর পুজো, ভোগ নিবেদন— সবই থমকে থাকল সারা দিন। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত জয়বিজয় দরজাই খোলা গেল না সেবায়েতদের একাংশের ‘বিদ্রোহে’। দিনভর জগন্নাথদেবের দর্শন করতে যারপরনাই নাজেহাল হলেন অসংখ্য ভক্ত।

মন্দির সূত্রের খবর, বিরোধের সূত্রপাত বৃহস্পতিবার বিকেলে। মন্দিরের পুরনো নিয়ম অনুযায়ী, তিন জন ভক্ত ঢোকার সময় তাঁদের অহিন্দু সন্দেহে রুখে দাঁড়ায় পুলিশ। ভবানীশঙ্কর মহাপাত্র বলে একজন সেবায়েত এর বিরোধিতা করেন। পুলিশ তাঁকে নিগ্রহ করে বলে তিনি পুরীর সিংহদ্বার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, ‘‘পুলিশ বাড়াবাড়ি করছে। অন্যায় ভাবে বাঙালি ভক্তদের মন্দিরে ঢুকতে বাধা দিয়েছে।’’ ভবানীশঙ্করবাবুর বিরুদ্ধেও মামলা রুজু হয়েছে। ওই সেবায়েত মন্দিরের শৃঙ্গারী। জয়বিজয় দরজা তাঁর উপস্থিতি ছাড়া খোলা যাবে না। রোজ সকাল ছ’টায় ওই দরজা খোলে। কিন্তু এ দিন সকালে ভবানীশঙ্করবাবু তাঁর দায়িত্ব পালনে অস্বীকার করেন। তাঁকে ‘নিগ্রহকারী’ পুলিশদের শাস্তির দাবিতে অনড় হয়ে থাকেন তিনি। দুপুরে মন্দির প্রশাসনে ওড়িশা সরকারের প্রতিনিধিরা মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও সমস্যা মেটেনি। সেবায়েতদের একাংশের সমর্থনে বিরোধিতা চালিয়ে যান ভবানীশঙ্কর। শেষে বিকেল পাঁচটায় মন্দির খোলে। তার পরে মঙ্গল-আরতি সেরে জগন্নাথের প্রাত্যহিক নির্ঘণ্ট চালু হয়। মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশের মতে, সূর্যাস্তের আগে মন্দির না-খুললে জগন্নাথদেবের পুজো কার্যত বন্ধ করে দিত। ফের পুজোর জন্য প্রায়শ্চিত্তের দরকার পড়ত।

আগামী বছরেই জগন্নাথ মন্দিরে গর্ভগৃহে ঢুকে দর্শনের জন্য টিকিট চালু হওয়ার কথা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নানা ভাবে পান্ডা তথা সেবায়েতদের কর্তৃত্ব খর্ব করা হচ্ছে মন্দিরে। এই নিয়ে প্রশাসন বনাম সেবায়েত দ্বন্দ্বও লেগে আছে। এ বছরে আগেও একবার জগন্নাথদেবকে ভোগ-নিবেদনে বিলম্বের জেরে জটিলতা হয়েছে। মন্দিরের প্রবীণ দয়িতাপতি তথা সরকার নিযুক্ত ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রামচন্দ্র দয়িতাপতি বলেন, ‘‘যা হয়েছে অনুচিত কাজ! রাত ন’টায় প্রভু তাঁর জলখাবার খাচ্ছেন।’’

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।