জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে ঐতিহাসিক ও মর্যাদাপূর্ণ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে তাঁর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে এবং তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন।
মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করা বিশ্ব ইতিহাসে একটি অনন্য ঘটনা।
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও সভায় অংশ নেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। পাশাপাশি জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি বৈঠকে অংশ নেন।
মন্ত্রিসভা মনে করে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।





