× Banner
সর্বশেষ
দিল্লির বিক্ষোভে বলপ্রয়োগের সমালোচনার পর আরএএফের নতুন নির্দেশনা, পেলেট গান ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ৬ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি জাহাজে হামলা: নাবিক নিহত, ইউক্রেনকে দায়ী করে কড়া প্রতিক্রিয়া তেহরানের দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র আক্রমণ ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল: ফ্রান্স-স্পেনে লাখো মানুষ ঘরছাড়া, জরুরি অবস্থা ও ব্যাপক উদ্ধার অভিযান আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, গুলশানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাড়ে ১০ হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১২ জুন, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দ্বিতীয় এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের (আফটা) অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ চুক্তির সংশোধনীর ফলে আফটার সদস্যভুক্ত দেশগুলোর কাছ থেকে ১০ হাজার ৬৭৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সংশোধনী অনুমোদন করা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলার কারণে সচিবালয়ের পরিবর্তে সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে আজ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ সম্পর্কে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম। ব্রিফিংয়ে সচিব জানান, আগের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ চার হাজার ৬৪৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেত। এখন এই সংশোধনী সম্পন্ন হলে ১০ হাজার ৬৭৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। পণ্যভেদে ৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

সচিব আরো জানান, এর মধ্যে ভারতের কাছ থেকে পাওয়া যাবে তিন হাজার ৩৮১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা। এ ছাড়া চীনের কাছ থকে দুই হাজার ৩৭২টি পণ্যের এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সুবিধা পাওয়া যাবে তিন হাজার ৭৫৭টি পণ্যে।

এ ছাড়া আফটার অন্য সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে বাকি পণ্যগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।

আজকের বৈঠকে বাংলাদেশ পানিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৭-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ইনস্টিটিউটটি ১৯৮৪ সালের এই ধারা অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছিল। এটিকে এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইন হিসেবে তৈরি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এটির খসড়ায় আজ নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..