সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার নারী লেখক হান ক‍্যাং

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার নারী লেখক হান ক‍্যাং

নোবেল পুরস্কার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মানব জীবনের দুঃখ-কষ্ট কাব্যিকভাবে রূপায়ন করার স্বীকৃতি হিসেবে হান ক্যাংকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ‘দ্য ভেজেটেরিয়ান’ এবং ‘হিউম্যান অ্যাক্টস’ উপন্যাসের জন্য পুরস্কৃত হলেন হান ক‍্যাং। সাহিত্যের জন্য প্রথম দক্ষিণ কোরীয় হিসেবে এ পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়লেন এই নারী।

হান ক্যাং প্রথম আলোচনায় আসেন ২০১৫ সালে তার ‘দ্য ভেজিটেরিয়ান’ উপন্যাসের জন্য। ২০১৬ সালে তিনি বইটির জন্য ম্যান বুকার পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৩ সালে হান ক‍্যাং প্রথমে কবিতা দিয়ে তার সাহিত্যিক জীবন শুরু করেন, যা ‘লিটারেচার অ্যান্ড সোসাইটি’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯৯৫ সালে তার প্রথম গদ্য সংকলন ‘লাভ অব ইয়োসু’ প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি একের পর এক উপন্যাস ও ছোটগল্প প্রকাশ করেন।

হান ক্যাংয়ের জন্ম ১৯৭০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার শহর গোয়াংজুতে। নয় বছর বয়সে তিনি পরিবারের সঙ্গে সিউলে চলে যান। তার পরিবার ছিল সাহিত্য অনুরাগী। তার বাবা একজন স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক। লেখালেখির পাশাপাশি হান ক্যাং শিল্প ও সঙ্গীতের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তার সাহিত্যের মধ্যেও তা ফুটে উঠেছে। তার উল্লেখযোগ্য একটি উপন্যাস হলো ২০০২ সালে প্রকাশিত ‘ইউর কোল্ড হ্যান্ডস’। সেখানে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে দ্বন্দ্বের চিত্র ফুটে উঠেছে।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ১৯০১ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে। প্রত্যেক ক্ষেত্রে পুরস্কার বিজয়ীরা একটি পদক এবং ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রাউন (প্রায় ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পান। নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল। তার ইচ্ছা অনুসারে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবতার কল্যাণে যারা অবদান রাখেন তাদেরকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হিসেবে স্বীকৃত।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।