সালথা বাজারের অলিগলির রাস্তা জলাবদ্ধতা, জন-দুর্ভোগ চরমে

সালথা বাজারের অলিগলির রাস্তা জলাবদ্ধতা, জন-দুর্ভোগ চরমে

আবু নাসের হুসাইন, সালথা প্রতিনিধি: সামান্য বৃষ্টি হলেই ফরিদপুরের সালথা উপজেলা সদর বাজারের অলিগলিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে বাজারের ব্যবসায়ীদের ও জনসাধারনের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সদরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সালথা-বাজার। গুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। পানি নিষ্কাশনের ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। বাজারের ভিতর ইটের রাস্তাগুলোর ইট উঠে বহু খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে জন-সাধারনের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, একযুগ ধরে বাজারের গলিতে ইটের রাস্তাগুলোর এমন বাজে অবস্থা হয়ে রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে জনসাধারনের। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি আটকে অনেক সময় দোকানপাটে উঠে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের দুর্দশার আর সীমা থাকে না।

বাজারের ব্যবসায়ী মারুফ হোসেন বলেন, পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাজারে আসা লোকজন ময়লা-আবর্জনা অহরহ নালায় ফেলেন। এ কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। নিয়মিত নালা পরিষ্কার রাখলে এমন জলাবদ্ধতা দেখা দিত না। ময়লা-আবর্জনায় নালা ভরে থাকে। পানি ঠিকমতো নামতে পারে না। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারের অলিগলিতে পানি জমে। এ ছাড়া স্যানিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় যত্রতত্র মলমুত্র ত্যাগের ফলে চরম দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বাজারের ভিতর।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিউবয়েল, ল্যাটিন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা কোনটিই ঠিক নেই। বাজারের কমিটি আছে। এ বাজার থেকে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা রাজস্বও আদায় করে সরকার। অথচ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা ও নাগরিকদের নেই নুন্যতম নাগরিক সুবিধা।

সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ হাসিব সরকার বলেন, বাজারে একটি ড্রেন নির্মাণ করে দেয়া হয়েছিল। উপজেলা প্রকৌশলী আর আমি কয়েক দফা ভিজিট করেছি। কিন্তু দোকানদাররা নিজেরা ড্রেনে ময়লা ফেলে তা বন্ধ করে দিয়েছে। এটার ব্যবহার উপযোগিতা তাদেরই হাতে। বাজারের কাজ আবার শুরু করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।