অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার

আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথা উপজেলার একশত টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই কোন শহীদ মিনার। ঐসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে পালন করা হয় ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

জানা যায়, এই উপজেলায় দুটি কলেজসহ ৭৬ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫ টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ৭টি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। এরমধ্যে নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ভাবুকদিয়া ঠেনঠেনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ প্রায় ১৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯টি উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার আছে বলে শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে। সালথা সরকারী কলেজসহ বাকি বিদ্যালয়গুলোতে নেই কোন শহীদ মিনার। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কলাগাছ বা বাঁশ ও কাগজের তৈরি শহীদ মিনারে পালন করা হয় ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা শহীদদের স্বরণে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকা উচিৎ শহীদ মিনার। সরকারীভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার স্থাপন করা সম্ভব হয়নি বলে শিক্ষকরা জানিয়েছেন। তুগোলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় প্রতি বছর কলাগাছ গাছ দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে আসছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল খায়ের জানান, নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঠেনঠেনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ ৯টি উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার অসীম কুমার মৈত্র বলেন, প্রায় ১৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, ভাষা শহীদদের স্বরণে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা উচিৎ। যদিও সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার করা গেলে চমৎকার হতো।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।