× Banner
সর্বশেষ
স্বামী ভক্তিপ্রসাদ মধুসূদন গোস্বামী মহারাজের আবির্ভাব তিথি আজ হিরোশিমা দিবস: ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমার নির্মাণের নেপথ্যের বিস্ময়কর গল্প জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২০ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিক্রিয়া বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল

ঘোড়া থেকে তৈরি হচ্ছে সাপের বিষের প্রতিষেধক অ্যান্টি ভেনাম

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২০

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না। প্রাণীটির নাম ঘোড়া। সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক “anti venom”.

কোন একটি সাপ, ধরুন কিং কোবরা’র anti venom তৈরি করতে হলে যা করতে হয় তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। একটু বেশি পরিমাণ ঢোকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে না। এই তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের বিষের anti venom তৈরি হয়ে যাবে।

এবার ঘোড়ার শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্ত নিয়ে তার লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি ভেনাম আলাদা করা হয়। এরপর তা প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পাঠানো হয়। মানুষকে সাপে কামড়ালে সরাসরি ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়।

ভারতে গাদা গাদা অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি আছে। পালের পর পাল ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা থাকতো না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..