সনাতন পার্টি থেকে ৫০জন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বস্ত্র বিতরণ

সনাতন পার্টি থেকে ৫০জন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বস্ত্র বিতরণ

সনাতনী সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রক্ষায় ও সনাতনী সাম্প্রদয়ের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে অত্মপ্রকাশের শুরু থেকে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি)।  আসন্ন দুর্গা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি থেকে ৫০জন প্রার্থীর অংশগ্রহণ ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

অদ্য মঙ্গলবার ১৭/১০/২০২৩ইং মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় রিপোটার্স ইউনিটি ঢাকা- এর সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বি.এস.পি)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অ্যাড. সুমন কুমার রায়- এর সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আশীষ কুমার দাশ- এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনীল শুভ রায় প্রেসিডিয়াম সদস্য জাতীয় পার্টি, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপংকর শিকদার দিপু উপদেষ্টা বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি) বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ন চন্দ্র সরকার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক, লায়ন লিটন নন্দী বিশিষ্ট ব্যাবসয়ী ও সমাজসেবক, ড. ইফতেখার শাহরিয়ার ফুয়াদ চেয়ারম্যান গনমুক্তি জোট, অনুপ কুমার দত্ত সিনিয়র সহসভাপতি বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি), রাজু চৌধুরী বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজসেবক, আবু লায়েস মুন্না প্রধান সম্বনয়ক গনমুক্তি জোট, সাজন কুমার মিশ্র জাতীয় নির্বাহী সদস্য জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি, সুকুমার চক্রবর্তী উপদেষ্টা বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি), অ্যাড. লিটন কুমার বণিক সিনিয়র সহসভাপতি বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি), এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য অনিল পাল, নিত্য গোপাল ঘোষ, প্রবীন হালদার, অ্যাড. বাসুদেব গুহ, চিকিৎসক রাম প্রসাদ দেবনাথ, চিকিৎসক শেফালী ঘোষ, বিকাশ অধিকারী, মানব চন্দ্র দাস, অমিত বর্মন ও জয় চক্রবর্তীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্ববৃন্দ একত্ত্বতা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল। নেতৃত্ববৃন্দ মনে করে, স্বাধীনতার ৫২ বছরে স্বাধীন বাংলাদেশে সাংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিজ দেশে এখনো নিরাপদ না, তারা প্রতিনিয়ত এক অজানা শংঙ্কা ও আতংকে দিন যাপন করে। যা সত্যিই দুঃখজনক। এটার কারন হিসেবে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি) মনে করে, বাংলাদেশে সনাতনী সম্প্রদায়ের কোন প্রকৃত রাজনৈতিক অভিভাবক না থাকা। কারন এ যাবতকালে সরকারী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা প্রতিটি রাজনৈতিক দল সনাতনী সম্প্রদায়কে “রাজনৈতিক ট্রামকার্ড” হিসেবে ব্যবহার করেছে। কোন রাজনৈতি দল রাষ্ট্রকে ধর্ম হিসেবে ব্যবহার করেছে, কোন রাজনৈতিক দলকে সনাতনী সম্প্রদায় ভোট না দেওয়ার অজুহাতে নির্যাতন করে, কেউ ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ‘জুজু’র ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে যাচ্ছে। কিন্তু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিপাদে কোন রাজনৈতিক দলকে তো কাছে পাওয়াই যায় না বরং সংখ্যালঘু সম্প্রাদয়ের উপর অত্যাচার নির্যাতন ও সম্পদ লুন্ঠনে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক কাতারে শামিল হতে দেখা যায়।

তাই ভবিষ্যতে কেউ যাতে সনাতনী সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক বলির পাঠা” হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে তার জন্য বাংলাদেশ সনাতনী পার্টি (বিএসপি) – এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বাংলাদেশ সনাতনী পার্টি (বিএসপি) সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ (পঞ্চাশ) জন প্রার্থী বাংলাদেশ (বিএসপি) সনাতনী পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সকল প্রার্থীদের নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের দাবী জানাচ্ছি। আর ০২ দিন পরেই সনাতনী সম্প্রদয়ের বৃহত্তম পূজা শারদীয় দূর্গা পূজা আসন্ন উক্ত পূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের নিশ্চিতের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং শারদীয় দুর্গা পূজার সরকারী ছুটির একদিনের স্থলে ০৩ দিনের ছুটি প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।