সনাতনীদের অধিকার দাবীতে শ্রীচিন্ময় ব্রহ্মচারীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। শ্রীচিন্ময় ব্রহ্মচারী ও সাথে আরো ১৮ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। মামলার বাদী মো: ফিরোজ খান, ৪৯ চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম। বাদীর সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
৩১শে অক্টবোর ২০২৪ ভোর ৫টায় কোতয়ালী থানায় বাদী মোহাম্মদ ফজলুল কাদের চৌধুরীর এজাহার গ্রহণ করেন। তিনি লিখেন, বাদীর কম্পিউটারে টাইপ করা এজাহার মামলা নং ৫২, তারিখ ৩১শে অক্টবোর ২০২৪ ধারা ১২০-খ/১২৪-ক/ ১৫০-ক/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রাজু করা হইলো।
মামলার বিবাদীরা হচ্ছেন: (১) চন্দন কুমার ধর প্রকাশ/ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী ৩৮, (২) অজয় দত্ত ৩৪, সমন্বয়ক হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, চট্টগ্রাম (৩) লীলা রাজ্ দাস ব্রহ্মচারী ৪৮ (৪) গোপাল দাশ টিপু ৩৮ (৫) ডাঃ কথক দাশ ৪০ (৬) প্রকৌশলী অমিত ৩৮ (৭) রনি দাশ ৩৮ (৮) রাজীব দাশ ৩২ (৯) কৃষ্ণ কুমার দত্ত ৫২ (১০) জিকু চৌধুরী ৪০ (১১) নিউটন দে ববি ৩৮ (১২) তুষার চক্রবর্তী রাজীব ২৮ (১৩) মিথুন দে ৩৫ (১৪) রুপন ধর ৩৫ (১৫) রিমন দত্ত ২৮ (১৬) সুকান্ত দাশ ২৮ (১৭) বিশ্বজিৎ গুপ্ত ৪২ (১৮) রাজেশ চৌধুরী ২৮ (১৯) হৃদয় দাস ২৫ প্রমুখ।
বাদী তাঁর আর্জিতে বলেন: গত ২৫শে অক্টবোর লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের প্রাক্কালে আসামীরা কোতয়ালী থানার নিউমার্কেটস্থ জিরো পয়েন্ট স্তম্ভ ও আশেপাশে শিক্ষার্থী বিপ্লবের টাঙিয়ে রাখা পতাকার ওপর ইস্কনের ধর্মীয় পতাকা ঝুলিয়ে দেয়, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পতাকার অবমাননার সামিল। এটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অখণ্ডতাকে অস্বীকারের নামান্তর এবং দেশদ্রোহিতা। বাদী এতে শ্রেণী বিদ্বেষ ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
বাদীর পরিচয়টা জানা প্রয়োজন ছিলো, কারণ একজন সাধারণ নাগরিক রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করতে পারেন কিনা তা আমার জানা নেই। ব্যারিষ্টার সুমন কিছুকাল আগে প্রিয়া সাহা’র বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন, যা খারিজ হয়ে যায়। চিন্ময় প্রভু একটি ভিডিও বার্তায় তার অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেছেন, আমি গ্রেফতার হলেও আপনারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
চিন্ময় ব্রহ্মচারীর সাথে আমরা কথা হয়েছে। তিনি শক্ত আছেন, জানালেন যে, বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন। তিনি আরও বলেছেন, তিনি না থাকলেও যাতে আন্দোলন অব্যাহত থাকে সবাই যেন সেই চেষ্টা করি। হিন্দুরা যে যেখানে থাকুন প্রতিবাদে সোচ্চার হোন।



