× Banner
সর্বশেষ
আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয় পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ বিশ্ব রেঞ্জার দিবস ২০২৬: ইতিহাস, প্রতিপাদ্য, গুরুত্ব ও রেঞ্জারদের অবদান আজ ৩১ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় ৩১ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

তন্ত্রসাধনার দেবী কালীকে চীন থেকে ভারতবর্ষে নিয়ে এসেছিলেন মহর্ষি বশিষ্ঠ

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
তন্ত্রসাধনার দেবী কালী

মহর্ষি বশিষ্ঠ তন্ত্রসাধনার দেবী কালীকে চীন থেকে ভারতবর্ষে নিয়ে এসেছিলেন। পৌরাণিক মতে কামাক্ষ্যায় সাধনে ব্যর্থ হয়ে- মহর্ষি বশিষ্ঠ তারার উপাসনা শিখতে গিয়েছিলেন তিব্বতে। কিংবদন্তী অনুসারে সতীর দেহখণ্ড প্রথম দেখেছিলেন মহর্ষি বশিষ্ঠ।

অশ্বঘোষ রচিত ‘বুদ্ধচরিত’-এর চাইনিজ অনুবাদে রয়েছে : বুদ্ধ যখন বোধিবৃক্ষের নীচে ধ্যানরত, তখন তাঁকে বাধা দিতে, বিঘ্ন ঘটাতে এসেছেন কালী এবং চীনা ভাষায় কালীকে ‘Mā-kia-Kālī’ বলা হয়েছে। কালী হাতে নরকপাল নিয়ে এসেছেন এবং বুদ্ধকে আক্রমণ করেছেন। এই বৌদ্ধবিরোধী কালীকেই পরবর্তী কালে বজ্রযান বৌদ্ধরা তারা নামে পূজা করেছে। তারপরে ব্রাহ্মণ্যবিরোধী তারাকে সনাতনী শাক্তরা ব্রহ্মময়ীতে পরিণত করেছে।

‘রঘুবংশ’-এ রামের সঙ্গে যুদ্ধরত তাড়কা রাক্ষসীর রূপকে বলাকিনী কপালকুণ্ডলা কালীর সঙ্গে তুলনা দেওয়া হয়েছেঃ “তাড়কা চলকপালকুণ্ডলা কালিকেব নিবিড়া বলাকিনী” [শশিভূষণ দাশগুপ্ত রচিত ‘ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য’, পৃষ্ঠা – ৬৫]

মহাযান বৌদ্ধরা যখন তন্ত্রকে গ্রহণ করলেন, তখন পুরুষ বা শিব হলেন ‘বজ্র‘ এবং শক্তি হলেন ‘পদ্ম‘। বজ্র অর্থাৎ শিবসাধনার দ্বারা শক্তিকে জাগ্রত করেন এই সাধনায়।চর্যাপদের লুইপাদ, ভুসুকপাদ, কাহ্নপাদ ইত্যাদি সাধকেরা চর্যার গীতিতে দেহকেন্দ্রিক শক্তি জাগরণের কথাই বলে গেছেন তাদের চর্যাগানে।

‘আলি এ কালি এ বাট রুন্ধেলা তা দেখি কাহ্ন বিমন ভইলা ‘ – কাহ্নপাদ । ৭ম গীতি।

অষ্টাদশ শতাব্দীতে নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র, তাঁর বাড়িতে কালীপুজো শুরু করে ― সাধারণ বাঙালিদের মধ্যে এই পুজোকে জনপ্রিয় করে তোলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..