শুধু ঘোষণা দিলেই হবে না, বাস্তবায়নের সময়সীমা বলতে হবে

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শুধু ঘোষণা দিলেই হবে না, বাস্তবায়নের সময়সীমা বললেই ঘরে ফিরবো।বললেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান।

বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে শাহবাগে চলমান বিক্ষোভ আন্দোলনে রাশেদ খান এ কথা বলেন।রাশেদ খান বলেন, কোটা সংস্কার বাস্তবায়নের সময়সীমাও উল্লেখ করলেই আমরা ঘরে ফিরে যাব।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেন, কেউ যখন কোটা চায় না, তখন সব কোটা বাতিল। প্রতিবন্ধী-উপজাতিদের অন্যভাবে চাকরি দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা নীতি নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করি। ১৯৭২ সাল থেকে কোটা চালু হয়ে আসছে। বিভিন্ন সময়ে কোটা সংস্কার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে চাকরি দিয়ে দিই। মেধাবীরা কিন্তু কেউ বাদ যায় না। একটা নীতিমালা হয়েছে। যেখানে কোটাধারী পাওয়া যাবে না, সেখানেই মেধা দিয়ে পূরণ হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সকালে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ এসেছিল। ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দকে বলেছি সব কোটা বাতিল। আন্দোলন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা সারাদিন রোদে রাস্তায় বসে আছে। রোগীরা হাসপাতাল যেতে পারছে না। অফিস আদালতে যেতে পারছে না। কী দরকার দুর্ভোগের?

তিনি বলেন, জেলায় জেলায় আন্দোলন চলছে কোটা সংস্কারের। তারাও চায় না কোটা। নারীরাও দেখালম রাজপথে নেমেছে। তারাও কোটা চায় না। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ৮ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রাস্তায় নামেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।