× Banner
সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ ফিলিপাইনে শুরু ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের বৈঠক এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট নয়াদিল্লিতে ফের উত্তেজনা, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম, ব্রেন্ট ছাড়াল ৯৬ ডলার হাম ও ডেঙ্গুর দ্বৈত আতঙ্কে দেশ, বাড়ছে শিশু ও সাধারণ মানুষের ঝুঁকি দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া র পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চীনের ১ লাখ ডলার সহায়তা: বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৬ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

শরীয়তপুরে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে উঠছে ইটভাটা

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৬

সৈকত দত্ত, শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কৃষিজমি, বনভূমি, ফলের বাগান, আবাসিক এলাকা, সিটি কর্পোরেশন এলাকার সীমা রেখা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো ইট ভাটা স্থাপন করতে পারবে না। এমনকি উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, স্থানীয় বা গ্রামীন সড়ক এলাকার এক কিলোমিটারের মধ্যে ইট ভাটা স্থাপন করা যাবে না। একই সঙ্গে সরকারী বন অঞ্চলের সীমারেখা থেকে ইটের ভাটার দুরত্ব হবে ২ কিলোমিটার। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রন আইনে এ সংশোধনের কথা বলা হয়েছে। অথচ শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার এলাকায় এসকল নিয়ম অমান্য করেই ইট ভাটা স্থাপন করছে প্রভাব খাটিয়ে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের চর ডোমসার মৌজার মোল্যা কান্দি গ্রামের নিয়ম না মেনে তৈরী হচ্ছে ইট ভাটা। এতে ফসলী জমি, পরিবেশ, সড়ক ও জন বসতি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হবে। ইটভাটা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দরা বলে, নিয়ম মানলে এ জনবহুল এলাকায় কৃষি জমি নষ্ট করে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে ইট ভাটা হতে পারে না। ইট ভাট সংশোধনী আইন কেউ অমান্য করলে এক বছর কারাদন্ড সহ অর্থ দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। সে দিকে কারও ভ্রুক্ষেপ নাই।

পুরাতন ইট ভাটা আইন সংশোধনের পূর্বেই তৈরী হয়েছে তবে নতুন ভাবেও আইনের তোয়াক্কা করছে না কেন? জন সাধারণ এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে প্রশাসনের নিকট । যাদের জানা আছে তারা হয়তো গোপন রাখছে কেন তাও কেউ জানে না। আইন থাকলেও প্রভাবের কাছে আইন তুচ্ছ ভাবছেন সাধারণ মানুষ।

গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ জানে না ইট ভাটা পরিবেশের জন্য কী ক্ষতিকর। তাদের লোভ দেখিয়ে নিয়ে নেয় জমি। এমনি জমি দাতা ও ইট ভাটার লেবার আঃ রহমান মোল্যা বলেন, ইট ভাটায় তার ৩০ শতাংশ জমি পরছে। প্রতি শতাংশ জমির জন্য বছরে ৫০০ টাকা পাবে। এ জমিতে ফসল করে এত লাভ হয় না। ক্ষতি হবে জেনেও এলাকার স্বার্থে জমি দিতে হয়েছে। ইটভাটার কারণে এলাকার ক্ষতি হবে আর স্বার্থ হবে ব্যক্তির সেও আঃ রহমানের জানা নাই।

জানা যায়, সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী লিটন কাজী এ ইট ভাটার অর্থ যোগান দাতা। তার পিতা সেকান্দার কাজী, ভগ্নিপতি ও সাবেক মেম্বার ছাত্তার মোল্যা ও বন্ধু আমিনুর রহমান আমান ইট ভাটা পরিচালনা করবে। ইট ভাটা জনবসতি, সরকারী ও জনসাধারনের রাস্তা, বাগান ও ফসলী জমি থেকে এ কিলো মিটার দূরে হওয়ার নিয়ম থাকলেও ইট ভাটা তৈরী করছে ১০ মিটারের মধ্যে।

ইট ভাটার পরিচালক আমিনুর রহমান আমান বলেন, ইট ভাটা কেবল শুরু করছি। সকলের সাথে মিল করেই কাজ করবো। অন্য যে সকল ইটভাট হয়েছে তা কি নিয়ম মেনে হয়েছে? বলে উল্টো প্রশ্ন করেন তিনি।

ইট ভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মাদবর বলেন, নিয়ম মানলে ওই স্থানে ইট ভাটা হয় না।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, ইট ভাটা সংশোধনী আইন অমান্য করে ইট প্রস্তুত ও ভাটা নির্মান করলে আইনের আওতায় আনা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..