× Banner
সর্বশেষ
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে – প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার খাল খননের সাথে দখল ও দূষণ প্রতিরোধেও কাজ করছে – পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক জোন শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়েলমি C100i এলো ৭,০০০mAh টাইটান ব্যাটারি নিয়ে, এক চার্জে চলবে তিন দিন পর্যন্ত পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলবে, পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান সম্ভাবনাময় ও সময়োপযোগী প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল বেনাপোলে বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক 

লেনদেনে গতি ফেরার আভাস চলতি সপ্তাহে

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৬

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে লেনদেনে গত সপ্তাহের লেনদেন শেষ হয় কিছুটা উন্নতির মাধ্যমে। মূলত আট কার্যদিবস পর বৃহস্পতিবার লেনদেনে কিছুটা গতি ফিরে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত হয় মোট লেনদেন। চলতি মাসে এটিই সর্বোচ্চ লেনদেন।

গত সপ্তাহে ডিএসইর তিনটি সূচকের মধ্যে দুটি বেড়েছে, একটি কমেছে। এ ছাড়া বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১০ খাতে দর (রিটার্ন) বেড়েছে। অন্যদিকে দর কমেছেও ১০ খাতে।

এদিকে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির দর বেড়েছে। মৌলভিত্তিসম্পন্ন কিছু কিছু খাতের কোম্পানির দর বাড়লেও বস্ত্র খাতে দর বাড়া কোম্পানির সংখ্যা ছিল বেশি। এ তালিকায় মিউচুয়াল ফান্ডও রয়েছে। তবে ফান্ডগুলোর দর বেড়েছে খুবই অল্প। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতের দুটি কোম্পানিরই দর বেড়েছে। তবে আশঙ্কাজনক হলেও পুরো সপ্তাহে দুর্বল কোম্পানির দর বাড়া অব্যাহত ছিল। লেনদেন হওয়া ৩৮ কোম্পানির মধ্যে ২২টির দর বেড়েছে।

বাজার-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েকদিন ধরেই দুর্বল কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। এর ফলে সূচক ও লেনদেনে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে বাজারের গতি ফিরতে পারে, যার ইঙ্গিত দিচ্ছে গতকালের ৫০০ কোটি টাকার লেনদেন। এদিকে পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানিকে ঘিরে একটি চক্র সবসময়ই সক্রিয় থাকে। দর বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে। তাই এসব কোম্পানির ব্যাপারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা জরুরি বলে তারা মনে করেন। বিনিয়োগ উপযোগী মৌলভিত্তির অনেক কোম্পানি রয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন তারা।

সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা লেনদেনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবেন। তাহলেই বাজার গতিশীল হবে।

এদিকে সিএসইতে সপ্তাহজুড়ে ১৫৫ কোম্পানির দর বেড়েছে। পাশপাশি মোট লেনদেনও আগের সপ্তাহের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। তবে দর বাড়লেও নিম্নমুখী ছিল সূচক।

সাপ্তাহিক বাজারচিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে সিএসইতে সিএসআই সূচক বাদে বাকিগুলো কমেছে। সিএসসিএক্স সূচক কমেছে ০.০৩৭১ শতাংশ, সিএসই৩০ সূচক ০.৯২৫৭ শতাংশ কমেছে।

অন্যদিকে মোট লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে সামান্য বেড়েছে। কিন্তু দেড়শ’ কোটির ঘর অতিক্রম করতে পারেনি, ১২৪ কোটি টাকায় থমকে ছিল লেনদেন। এদিকে ‘এ’ ‘বি’ ও ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় বাড়লেও কমেছে ‘এন’ ক্যাটাগরির লেনদেন। আগের সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটারির লেনদেন হয়েছিল ১১০ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি টাকা। মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কারণে মোট লেনদেনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি।

এদিকে সিএসইতেও গত সপ্তাহজুড়ে ছোট মূলধনী কোম্পানির দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এর ফলে লেনদেন তলানিতে পড়ে আছে। বর্তমান বাজারে কোম্পানি অনুযায়ী দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় ১০০ কোটি টাকার উপরে ওঠার কথা। কিন্তু সপ্তাহ জুড়েও সমপরিমাণ লেনদেন হচ্ছে না। আগের সপ্তাহে বড় মূলধনী কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে পুনরায় ভাটা পড়েছে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির দরে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..