রান কম দেওয়া আমার কাজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক: স্পিনার সালেহ আহমেদ শাওণ গাজী যুব বিশ্বকাপের ২ ম্যাচে দারুণ বল করে সবার নজর কেড়েছেন। পকেটে পুরেছেন ৫ উইকেট। ম্যাচ হিসেবে উইকেট সংখ্যা কম মনে হলেও নিখুঁত লাইন ও লেন্থ ধরে একাধারে বোলিং করে যেতে পারেন বাহাতি এ স্পিনার। উইকেট নেওয়ার থেকে বল হাতে তার দায়িত্ব থাকে ‘কিপটেমি করা’। ব্যাটসম্যানকে চাপে রাখা। আর এ কাজটা করতে ভালোই ‘পটু’ শাওণ গাজী।

সোমবার নিজের বোলিং নিয়ে চটপটে গাজী বলেন, ‘আমাকে দল থেকে বলাই হয়েছে রান চেক দিতে। আমি কখনোই উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করি না! আমি সবসময় চাই ১০ ওভার বোলিং করে ২০ বা ২৫ রান দেব। উইকেট তো ভাগ্যের ব্যাপার। ভাগ্যে থাকলে অবশ্যই পাবো।’

বোলিংয়ের পাশাপাশি কথা বার্তাতেও বেশ আত্মবিশ্বাসী শাওণ গাজী। প্রতিপক্ষকে মূল্যায়ন করেন শতভাগ দিয়ে। কিন্তু নিজের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস জুনিয়র এই টাইগারের। তিনি বলেন, ‘নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারলে অন্য কারও টাইম নাই। এই আত্মবিশ্বাস আসে নিজের কাছ থেকেই। চাপ বলে কিছু নেই। আমার ভেতর কোনো চাপ কাজ করে না। সবসময় ফ্রি খেলি। ক্রিকেট মজাদার একটি খেলা। খেলাটাকে মজা করেই খেলতে চাই।’

বিশ্বকাপের প্রথম ২ ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা স্কোরবোর্ডে বড় পুঁজি জমা করতে ব্যর্থ হন। প্রথম ম্যাচে ২৪০ রানের পর দ্বিতীয় ম্যাচে যোগ হয় ২৫৬ রান। নতুন নিয়মে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এ রান কিছুই নয়। তবুও যুব ক্রিকেটার শাওণ বলছেন স্কোরবোর্ডের ওতটুকু রানই প্রতিপক্ষের জন্যে যথেষ্ট!

শাওণ আর বলেন, ‘আমাদের যে বোলিং আক্রমণ, তাতে আমরা আশা করি যে কোনো উইকেটে ২৪০ রান আমাদের জন্য অনেক। যত ভালো ব্যাটিং উইকেট হোক বা যত ভালো দলই হোক; আমাদের বিপক্ষে ২৪০ তাড়া করতে প্রতিপক্ষ দলের জন্য অনেক কঠিন হবে।’

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।