যুদ্ধে ভারত যেভাবে আমাদের পাশে ছিল, সে সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে লেখা থাকবে -রেলপথ মন্ত্রী

যুদ্ধে ভারত যেভাবে আমাদের পাশে ছিল, সে সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে লেখা থাকবে -রেলপথ মন্ত্রী

            স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যেভাবে আমাদের পাশে ছিল, বাংলাদেশ-ভারতের সে সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে লেখা থাকবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। বলেছেন রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন।

          আজ রেলভবনের সভা কক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ভারতের মধ্যে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে ৩য় ও ৪র্থ ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ট্র্যাক, দ্বিগুণ করার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

          মন্ত্রী বলেন, আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে WD-2 ডিজাইন, সরবরাহ, ইনস্টলেশন এবং ৭টি স্টেশনে কম্পিউটারভিত্তিক ইন্টারলক সিগন্যালিং সিস্টেমের পরীক্ষা-কমিশন করা হবে, যার মধ্যে নির্বাচিত লেভেল ক্রসিংগুলির ইন্টারলকিং এবং অপটিক্যাল ফাইবারভিত্তিক টেলিকমিউনিক সিস্টেমের কাজ এবং আন্তঃসংযোগ টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের জন্য সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে।

          নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ’৭৫ সালের পরে স্বাধীনতা বিরোধীরা কোন উন্নয়ন করেনি, এমনকি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সাথে বৈরী সম্পর্ক ছিল, সম্পর্কের উন্নয়নের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর সম্পর্কের উন্নয়ন হয়েছে। ছিটমহল সমস্যা, গঙ্গা চুক্তি, পার্বত্য শান্তিচুক্তিসহ দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। রেলওয়ে ব্যবস্থায় আমাদের ইন্টার সেকশন পয়েন্ট যেগুলো ছিল তার ৮টির মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া ভারতের সাথে আমাদের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ডাবল লাইনে রূপান্তর করা হয়েছে।

          মন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ডাবল লাইন করা হয়েছে। মন্ত্রী আখাউড়া থেকে আগড়তলা, খুলনা থেকে মোংলা, ঢাকা থেকে পদ্মা ব্রিজ হয়ে ভাঙ্গা এবং ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী অচিরেই উদ্বোধন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

          বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে নাজনীন আরা কেয়া, প্রকল্প পরিচালক এবং কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পক্ষে Subharjit Jana চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে গেস্ট অভ্ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার Pranay Verma।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।