× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

মিঠুন চাকমার স্মরণে চট্টগ্রামে স্মরনসভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৮

সাইদুর রহমান (চট্টগ্রাম প্রতিনিধি)ঃ খাগড়াছড়িতে সেনাসৃষ্ট নব্য মুখোশবাহিনী সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হওয়া ইউপিডিএফ-এর অন্যতম সংগঠক শহীদ মিঠুন চাকমা’র স্মরণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে স্মরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১৫ই জানুয়ারি ২০১৮) বিকেল ৪.৩০টায় নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন যৌথভাবে এ কর্মসূচি আয়োজন করে।

ছাত্র নেতা অংকন চাকমার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম নগর শাখার সভাপতি থুইক্যচিং মার্মা, পিসিপি চবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রুপন চাকমা। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, বাসদ চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়ক অপু দাশ গুপ্ত, গণসংহতি আন্দোলনের চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমি,জাতিসত্তা মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের নেতা এসিংমং মার্মা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, পিসিপি নগর শাখার সভাপতি পলাশ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক জিকো চাকমা, চবি শাখার সভাপতি সুনয়ন চাকমা, সহ-সভাপতি রিংকু চাকমা, হিল ইউমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী রিতা চাকমা, যুব ফোরাম নগর শাখার সহ-সভাপতি শুভ চাক, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামল চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুকৃতি চাকমা ও চট্টগ্রাম মহানগরের ইউপিডিএফ’র সংগঠক জিকো মার্মা প্রমুখ।

অপু দাশ গুপ্ত বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। প্রশাসন মিঠুন চাকমার হত্যাকাণ্ডের ১২ দিন পরেও হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে পারেনি। উল্টো তার দাহক্রিয়া ও স্মরণসভায় বাধা দিয়ে প্রশাসন হত্যাকারীদের পক্ষাবলম্বন করেছে।

এসিংমং মার্মা বলেন, পাকিস্তানী সেনারা যেমন বাঙালি মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে পূর্ব বাংলার জনগণের মুক্তির সংগ্রামকে দমাতে পারেনি, ঠিক তেমনি এদেশের শাসক শ্রেণীও মিঠুন চাকমার মত মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে পাহাড়ের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমাতে পারবে না।

হাসান মারুফ রুমি বলেন, বাংলাদেশের সমতলে বেসামরিক শাসন চললেও পাহাড়ে চলছে সামরিক শাসন। যুদ্ধাপরাধীর বিচার তখনই ন্যায়সঙ্গত হবে যখন পাহাড় এবং সমতলে সকল খুন-গুমের বিচার হবে। তিনি মিঠুন চাকমার হত্যাকান্ডসহ সকল খুন-গুমের বিচারের দাবি জানান।

স্মরণসভায় বক্তব্য চলাকালে মিঠুন চাকমার স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি একটি মামলায় আদালতে হাজিরা শেষে খাগড়াছড়ি শহরের অপর্ণা চৌধুরী পাড়ার নিজ বাড়িতে ফেরার পথে বাড়ির গেট থেকে নব্য মুখোশ বাহিনীর একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মিঠুন চাকমাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে কিছুদূর নিয়ে গিয়ে মাথায় ও পেটে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

সিটিজি/বাবু/170/আর এস


এ ক্যটাগরির আরো খবর..