মর্যাদার সাথে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করা ছিল জিয়াউর রহমানের মূল কাজ -গয়েশ্বর

মর্যাদার সাথে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করা ছিল জিয়াউর রহমানের মূল কাজ -গয়েশ্বর

দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী সে যদি চুলার পাড়ে থাকে, তাহলে দেশের উন্নতি করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকের জন্য মর্যাদার সাথে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করা ছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মূল কাজ। বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আজ শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর রায় বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতার মাঝেও দেশের জনসংখ্যার ৮৭ শতাংশ মুসলমানদের দেশে সাহসিকতার সাথে তিনিই প্রথম মহিলাদের সামরিক বাহিনীতে নেন, পুলিশ-আনসারে নিয়োগ দেন। তার আমলেই প্রথম মহিলা পাইলট হয়।

বিএনপির এই নেতা বলেন,‘জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন নির্লোভ মানুষ ছিলেন। সামরিক বাহিনীর লোক হয়েও বিনা আন্দোলনে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। বহু দলীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে নিশ্চিত রাখতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন। এবং দেশাত্মবোধের উৎসাহ নিয়ে সারা জাতিকে দেশপ্রেমিক সকল জনগোষ্ঠীকে একই ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ করেছেন একটি আদর্শগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য। অর্থনৈতিকসহ এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তিনি শুভ সূচনা করেননি।

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অগ্রগতির জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সৃজনশীল।  উৎপাদনমূখী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য তিনি নানাবিধ উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশে মহিলা মন্ত্রণালয় গঠন করেন এবং জাতীয় মহিলা সংস্থাও তিনি গঠন করেন। মহিলাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মধ্যদিয়ে তাদেরকে দক্ষ করে গড়ে তোলেন। এবং তারা যেন মেধা দিয়ে আত্মনির্ভরশীল থাকলে পারে সে ব্যাপারে নানা বিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সেই উদ্যোগের অংশ বিশেষ আজকে দেখবেন পোশাক শিল্পে ৮০ শতাংশ মহিলা কাজ করে। এমনকি অফিস আদালতে একজন দক্ষ সেক্রেটারিয়াল জব করার জন্য টাইপ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এটা আওয়ামী লীগের নতুন রোগ নয়; এটা তাদের জন্মগত রোগ। আজকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আশ্রয় চেয়েছেন, অনেকে তো দেশ থেকে পালিয়ে বিদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। সুতরাং এটার নিন্দা করে লাভ নেই। আমাদের করতে হবে এর (আ.লীগ সরকার) পতন ঘটাতে হবে গণতান্ত্রিক একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। সেই লড়াই আমরা আছি।

এ সময় সংগঠনের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।