× Banner
সর্বশেষ
ইউনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় বাংলা‌দেশ বেনাপোল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মফিজুর রহমান পিন্টুর গণসংযোগ বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ১৬৯ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে নীরবতা নয়, চাই সম্মিলিত উদ্যোগ বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবস: মানব পাচার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্ত আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস: মানবিক বন্ধনের শক্তি উদযাপনের দিন কিয়েভসহ একাধিক শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ -ভারতের হাইকমিশনার আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায়

ডেস্ক

মন্দ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির সূচনায় রাম নবমী

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩
আজ রাম নবমী
মন্দ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির সূচনায় রাম নবমী

রাম নবমী একটি সনাতন ধর্মীয় উৎসব। অযোধ্যার রাজা দশরথ ও রাণী কৌশল্যা সন্তান দেবতা রামের জন্মগ্রহণ উদ্‌যাপন করা। রাম, বিষ্ণুর সপ্তম অবতার, ভগবান বিষ্ণুর মানবীয় রূপের প্রাচীনতম অবতার। ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্টিফিক রিসার্চ অন ভেদাজ(আই-সার্ভ) এর গবেষকরা বলছেন, ৫৭০৮পূর্ব বঙ্গাব্দ চৈত্রমাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পুনর্বাসু নক্ষত্রে এবং কর্কট রাশিতে(৫১১৪ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দে ১০ জানুয়ারি) বেলা ১২টা থেকে ১টার মধ্যে অযোধ্যায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রীরামচন্দ্র।

এই পবিত্র দিন শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পুনর্বাসু নক্ষত্রে এবং কর্কট রাশিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভগবান শ্রীরাম। অধর্মকে নিক্ষেপ করে ধর্মকে স্থাপন করা। মন্দ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির সূচনা করার লক্ষ্যে রাম নবমী উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে।

রাবণের অত্যাচারের অবসান এবং দুষ্টদের বধ করে ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য ভগবান রামের জন্ম হয়েছিল। ভগবান শ্রীরামও লঙ্কা জয় করেন এবং দুষ্টদের বধ করেন। ভগবান রামকে আদর্শ মানুষ হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং ভগবান রামও অনেক মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়েছিলেন।

এ দিনটি সারা ভারত বাংলাদেশসহ অনেক দেশে অত্যন্ত উৎসাহের সাথে পালিত হয়। এই দিনে অনেক লোক তাদের বিশ্বাস প্রকাশ করতে এবং ভগবান রামকে স্মরণ করার জন্য ভগবান রামের জন্য উপবাস পালন করে। যেহেতু এই উৎসবটি ভগবান রামের সঙ্গে যুক্ত, তাই এই দিনটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত শুভ।

রাম নবমীরে এই দিনে অনেক সনাতন ধর্মীয় মানুষ অযোধ্যায় যায় এবং সরয়ু নদীতে স্নান করে। এই দিনে, অনেক জায়গায় উপবাসও পালন করা হয় এবং হবন করা হয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে উপবাস করলে উপাসকের সমস্ত মনস্কামনা পূরণ হয় এবং কাঙ্খিত ফল লাভ হয়।

এই দিনে, অযোধ্যায় চৈত্র রাম মেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রতি বছর প্রচুর ভিড় দেখা যায়। রামনবমীর দিনে স্নান করার পরে, বাড়িতে মন্দিরে রামচরিত মানস পাঠ করা হয় এবং অনেক জায়গায় পুরাণেরও আয়োজন করা হয়।

রামনবমী পালন করা হয় ভগবান রামের জন্মকে চিহ্নিত করার জন্য যখন মহানবমী নবরাত্রির নয় দিনের শেষে উদযাপিত হয় এবং মা দুর্গার আরাধনায় নিবেদিত হয়।

আপনাদের অবগতির জন্য বলে রাখি প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে রামনবমী উৎসব পালিত হয়। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুসারে, চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র জির জন্ম হয়েছিল। এই পৃথিবীতে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র জির অবতারের কারণে, এই দিনে আমরা সবাই খুব আনন্দ এবং উত্সাহের সাথে রামনবমী উদযাপন করি।

রামনবমীর ইতিহাস

মহাকাব্য অনুসারে, অযোধ্যার রাজা দশরথের তিনটি স্ত্রী ছিল এবং তিনজনই রাজাকে সন্তানের সুখ দিতে পারেনি, যার কারণে রাজা খুব চিন্তিত ছিলেন। মহর্ষি বশিষ্ঠ রাজাকে সন্তান লাভের জন্য কামেষ্টি যজ্ঞ করতে বললেন। তাঁর কথা মেনে রাজা দশরথ মহর্ষি ঋষি শৃঙ্গীর দ্বারা কামেষ্ঠী যজ্ঞ করিয়েছিলেন।

যজ্ঞ সমাপ্তির পর, মহর্ষি রাজা দশরথের তিন রাণীকে খীর পান করান। ঠিক ৯ মাস পরে, জ্যেষ্ঠ রাণী কৌশল্যা ভগবান রামকে, কৈকেয়ী ভরতকে এবং সুমিত্রা যমজ সন্তান লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্নের জন্ম দেন। ভগবান রাম ছিলেন কৃষ্ণের সপ্তম অবতার। ভগবান শ্রী রাম পৃথিবী থেকে অবতীর্ণ হয়েছিলেন দুষ্টদের বিনাশ এবং একটি নতুন ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য।

শাস্ত্র অনুসারে, বিশ্বাস করা হয় যে ত্রেতাযুগে ভগবান বিষ্ণু সপ্তম অবতারে রাম রূপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। রাবণের অত্যাচারের অবসান এবং পৃথিবী থেকে দুষ্টদের নির্মূল করে একটি নতুন ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য ভগবান রামের জন্ম হয়েছিল। তাই রামনবমীর উৎসব ভগবান রামের জন্মবার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়।

শাস্ত্র অনুসারে, এটাও বিশ্বাস করা হয় যে ভগবান রাম লঙ্কা জয় করার জন্য মা দুর্গার পূজা করেছিলেন। চৈত্র মাসের নবরাত্রি শেষ হলেই রামনবমীর উৎসব আসে।

রামনবমীর পূজা পদ্ধতি নিম্নরূপ:

প্রথমে স্নান করে শুদ্ধ হয়ে পূজার উপকরণ নিয়ে উপাসনাস্থলে বসুন।

পূজায় তুলসী পাতা ও পদ্ম ফুল থাকতে হবে।

এরপর শ্রীরামনবমীর ষোড়শপচার পূজা।

প্রসাদ হিসাবে খির এবং ফল-মূল প্রস্তুত করুন।

পুজোর পর বাড়ির কনিষ্ঠ মহিলা সকলের কপালে তিলক লাগান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..