× Banner
সর্বশেষ
২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও

বারবাজারে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে খাদ্য গুদাম নির্মাণে শুভংকরের ফাঁকি

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১ জুলাই, ২০১৭

আরিফ মোল্ল্যা,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥ ১ জুলাই’২০১৭:  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজারে খাদ্য গুদাম ( গোডাউন) নির্মাণ কাজে শুভংকরের ফাঁকি দেয়া হচ্ছে। বাজারের হাইওয়ে থানার পাশে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠাত খাদ্য গুদাম নির্মাণে নিন্মমানের ইট, বালি, খোয়া, সিমেন্ট ও রড ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্মান কাজ নিন্ম মানের হওয়ায় এলাকাবাসী ঈদের আগে অভিযোগ দিলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। পরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ঠিকাদার ভাই মিজানুর রহমান লাড্ডু পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে মাটি খুঁড়ে নীচ থেকে ভীত ঢালায়ের কাজ করছেন।

প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, বারবাজার খাদ্য গুদাম নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেখানে নতুন একটি গুদাম নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়। গণপূর্ত বিভাগের দেড় কোটি টাকা অর্থায়নে ওই কাজটি পান ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

সম্প্রতি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইস্টিমেট এর নিয়ম কানুন না মেতে ইচ্ছামত মাটি মিশ্রিত বালি, নিন্মমানের ইট, খোয়া ও রড দিয়ে কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে মাটি খুড়ে নীচ থেকে ভীত এর কাজ করেছে। সেখানে নিন্ম মানের ইট খোয়া,মাটি মিশ্রিত বালি, রড ও সিমেন্ট ব্যবহার করে ভীত এর কাজ শুরু করেছে। নিন্ম মানের কাজ দেখে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন, ‘আগের গুদাম টি ২০/২৫ বছর ধরে ব্যবহার করা গেছে, বর্তমানে ঠিকাদার যেভাবে কাজ করছেন তাতে ওই গুদাম ৫ বছরের বেশি সময় টিকবে না’। তারা এ ঘটনায় অভিযোগ দিলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাদেকুর রহমান সেই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। পরে ঠিকাদারের ভাই মিজানুর রহমান লাড্ডু ক্ষমতার অপব্যবহার করে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, বীম তৈরিতে মোটা রডের সাথে চিকন রড দিয়ে গাথা হয়েছে। দেওয়া হচ্ছে নিন্ম মানের ইটের খোয়া ও মাটি মিশ্রিত বালি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ নির্মাণ কাজ শুরু করতে হলে, ইস্টিমেট অনুযায়ি সিটিজেন চার্টার টানাতে হয়। সেখানে মোট নির্মাণ ব্যয়, রডের মিলি গ্রাম, সিমেন্টের নাম, ইট ও খোয়া ও বালির গ্রেড উল্লেখ থাকবে। কিন্তু সেখানে কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কিছুই উল্লেখ করেননি।

এ ব্যাপারে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারকে না পাওয়া গেলেও তার ভাই মিজানুর রহমান লাড্ডু বলেন, বুঝেন তো উপরের লেভেল থেকে আসতে হয়। এজন্য কাজও একটু হেরফের হয়। তাছাড়া সরকারি কাজে একটু ১৫/২০ হবেই। এসব কথা বলে তিনি স্থানীয় এক সাংবাদিকের হাতে একহাজার টাকা গুজে দিতে যেয়ে বলেন, বড় বড় সাংবাদিকরাও আমার পরিচিত। লিখে আর কি করবেন?

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাদেকুর রহমান জানান, যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোডাউন বা গুদাম নির্মাণ করছেন তারা আমার সাথে যোগাযোগ করেননি। এমনকি খাদ্য গুদামের কর্মকর্তাদের সাথেও যোগাযোগ করেনি। ঈদের আগে আমি অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে এসেছিলাম। আজও ( শনিবার) সেখানে পরিদর্শনে যেয়ে কাজের মান ভাল মনে হয়নি। ঠিকাদারকে ইস্টিমেট নিয়ে তিনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন। সেই নির্দেশ অমান্য করে কেউ কাজ করতে আসলে ‘সরকারি নির্দেশ অমান্যের দায়ে জেল দেয়া হবে’।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..