বাংলাদেশের জনগণের বাকস্বাধীনতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ কার্যালয়ে জার্মানির সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্পিকার এ কথা বলেন।
বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক ও ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে স্পিকার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী। বর্তমানে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য হলো জার্মানি।
গণতন্ত্রের ইতিহাস তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই এ দেশের পথচলা। অতীত স্বৈরাচারী শাসনামলে গুম, খুন ও প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। তবে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে পুনরায় নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তাঁর ভূমিকার ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সংসদে নারী নেতৃত্ব জোরালো ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৬ জন এবং ৫০ জন সংরক্ষিত আসনের শিক্ষিত নারী সংসদ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
বৈঠকে জার্মানি-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে যৌথ ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়।
জার্মানির ফেডারেল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ (বুন্দেস্ট্যাগ)-এর সদস্য নিকলাস কাপের নেতৃত্বে বৈঠকে সংসদ সদস্য গেরোল্ড ওটেন, জোহান সাথফ, উলে শাউস এবং ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।





