× Banner
সর্বশেষ
খাল খননের উদ্বৃত্ত ৬১ লাখ টাকা কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে দুই সিটির কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর নির্দেশ ফেসবুকে প্রেম, নেত্রকোনায় এসে তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে – নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘দেশকে এগিয়ে নিতে দৈনিক ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী’ এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে – নাহিদ ইসলাম খাদ্য নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি ও কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় এগিয়ে নিতে হবে এগ্রিভোল্টাইক কার্যক্রম – পরিবেশমন্ত্রী ইউআইইউতে প্রাইম ব্যাংকের “এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০” অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

Kishori
হালনাগাদ: রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,বাগেরহাট : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের জিউধরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন এলাকার ভিজিডি কার্ডের সুবিধাভোগীরা। একটি স্বার্থান্বেশী মহল কর্তৃক চাল আত্মসাতের কাল্পনিক অভিযোগের প্রতিবাদে রবিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে কাকড়াতলী বাজারে বিপদাপন্ন নারীদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়(ভিজিডি) সুবিধাভোগীরা এ বিক্ষোভ করেন।

গত ৫ মে ইউনিয়নের ২শ’ ৬০ জন ভিজিডি সুবিধাভোগীদের মাঝে ৩ মাসের চাল একত্রে বিতরণ করা হয়। কার্ডেও ৩ মাসের স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এক মাসের চাল পরবর্তীতে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়ে দেন চেয়ারম্যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও মোশারেফ হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরে চাল আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন।

এ অভিযোগের কথা জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়েছেন সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার, পরিষদের সচিব, অন্যান্য মেম্বর ও সুবিধা ভোগীরা। গতকাল রবিবার পরিষদে চাল বিতরণকালে ট্যাগ অফিসার মৃলেশ কান্তি মজুমদার বলেন, চাল আত্মসাতের অভিযোগ কাল্পনিক। ৩ মাসের চাল বিতরন করা হয়েছে। কার্ডেও ৩ মাসের স্বাক্ষর করা হয়েছে। আত্মসাতের সুযোগ নেই। ইউপি সদস্যরা বললেন একই কথা।

সুবিধাভোগী ডেউয়াতলা গ্রামের বিউটি বেগম(৩৮), ঠাকুরানতলা গ্রামের রুমি বেগম(৪২), তাসলিমা বেগম(৩৫), জিউধরা রাজিয়া বেগম(৩৫) ও ছোট লক্ষিখালী গ্রামের তৃপ্তি রানী হালদার(৩৪) ক্ষোভের সাথে বলেন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান চাল বিতরণে কোনো অনিয়ম বা আত্মস্বাত করেনি। প্রত্যকের নিজ নিজ বইয়ে ৩ মাসের স্বাক্ষর করে ৩ মাসেরই চাল নিয়েছি। বাকি এক মাসের চাল আজ রবিবার আমরা পেয়েছি। একটি মহল চেয়ারম্যানের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অববাদ ও অভিযোগ দিয়েছে। আমরা এঘটনার প্রতিবাদ জানাই।

এদিকে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশা চাল বিতরনে অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ভিজিডি কার্ডধারীরা ৩ মাসের চাল পূর্বে পেয়েছেন। বাকি ১ মাসের চাল বরিবার বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া গরীবের এ চাল বিতরনে কোন অনিয়ম হতে পারে না। ২৬০ জন ভিজিডি তালিকাভূক্ত ছাড়াও তিনি নিজ অর্থায়নে ৯ ওয়ার্ডের ২৩৫জন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে চাল দিয়ে আসছেন।

ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম মৃধা, আরিফুল কবির বাচ্চু, শিমুল কান্তি মিস্ত্রী, চান মিয়া শেখ বলেন, ভিজিডি সুবিধাভোগীরা নিয়ম অনুযায়ী চাল পেয়ে আসছে। এবারে নতুন তালিকা হওয়ার কারনে ৩ মাসের চাল একত্রে বাকি ১ মাসের চাল বরিবার দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করেছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..