× Banner
সর্বশেষ
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ দেশের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সিআইআরএস ও এনআরএস উদ্বোধন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌদির পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করতে চায় সরকার -প্রধানমন্ত্রী প্রগতিশীল ও উন্নত সমাজ বিনির্মাণে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা অপরিহার্য – পানি সম্পদ মন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে – প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কফিল আকামা নবায়ন না করলেও অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে নবায়নের সুযোগ বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে – প্রধানমন্ত্রী ‎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান সংগীত কর্মসূচি শুরু

বাংলাদেশ সব সময় জাপানকে পাশে পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৯

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশ সব সময় বিশ্বস্ত বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে জাপানকে পাশে পেয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা বাংলাদেশে অনেকগুলো রূপান্তরমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছি। আর তার স্বপ্ন পূরণে আমরা সব সময় জাপানকে বিশ্বস্ত বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে পাশে পেয়েছি।’

টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের বাসভবনে আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হওয়া দ্বিপক্ষীয় আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, এটা ছিল গভীর আন্তরিকতা, বোঝাপড়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ।

‘আমরা দুই দেশের মধ্যে গভীরতর সহযোগিতা প্রসারে একসঙ্গে কাজ করতে একমত হয়েছি। আমরা সহযোগিতার জন্য বেশ কিছু নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছি। এগুলো আমাদের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরো গতিশীল করবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী। সেইসঙ্গে আমরা ৪০তম ওডিএ ঋণ প্যাকেজ সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তিনি বুধবার সকালে বাংলাদেশে ব্যবসা করা নেতৃস্থানীয় জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নেন। তিনি জানান, সহযোগিতার আরো সম্প্রসারণ এবং নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে দুই দেশের স্পষ্ট ইচ্ছে দেখে তিনি ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হয়েছেন। ‘আমাদের ব্যবসায়ী নেতারাও এ ইচ্ছে পোষণ করেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, জাপানে আসা তাঁর জন্য সব সময়ই আনন্দের। ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমার ছোট বোন এবং সবচেয়ে ছোট ভাইকে নিয়ে ১৯৭৩ সালে জাপান সফর করেছিলেন। তারা সফরের আনন্দদায়ক স্মৃতি এবং জাপানের মানুষের ভালোবাসা ও মমতা নিয়ে ফিরেছিলেন। তখন থেকে প্রতিবার আমার জাপান সফরের সময়, প্রিয় পিতা ও ছোট ভাইবোনদের ওপর থাকা জাপানের উষ্ণ আবেগ ও অনুভূতির কথা আমাকে মনে করিয়ে দেয়,’ যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, ছোটবেলায় জাপানি পুতুল, ভিউ কার্ড, ডাকটিকিট, ক্যালেন্ডার, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য জিনিস তিনি জমিয়ে রাখতেন।

জাপান সফর থেকে পাওয়া সব মধুর স্মৃতি ও উষ্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নিজের হৃদয়ের গভীরে রেখে দেবেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব সময় আমাদের সাথে থাকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানাই।’ তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও তাঁর স্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..