× Banner
সর্বশেষ
দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে ধর্মীয় উত্তেজনা: সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো দাবিগুলোর বাস্তবতা আজ ১৮ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কোটালীপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাবেক ভিপি ফায়েকুজ্জামানের ফুটবল বিতরণ দানকৃত সম্পত্তি আজীবন ভোগের অধিকার থাকবে দাতার, আইনের সংশোধনী খসড়ায় অনুমোদন বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ব্যাংকে তদন্ত কমিটির কাজ শুরু মঙ্গলবার

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১৬

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার (২২ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে কাজ শুরু করবে।

এজন্য ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান সাবেক গর্ভনর ড. ফরাস উদ্দিনের জন্য একটি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাকে সহযোগিতা করবে একজন সচিব ও একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর।

সোমবার (২১ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বাংলানিউজকে বলেন, তদন্ত কমিটির কাজের সুবিধার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একটি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে বসে তারা কাজ করবেন। তবে কবে থেকে কাজ শুরু করবেন এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতে পারবো না।

এর আগে চলতি বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব গকুল চাঁদ দাস।

এ বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে অন্তবর্তীকালীন রিপোর্ট এবং ৭৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। কমিটি চাইলে বিশেষজ্ঞদের সেবা নিতে পারবে। সরকার প্রয়োজনে কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্যও নিয়োগ করতে পারবে। কমিটির সভা বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন অথবা কমিটির আহ্বায়কের নির্ধারিত স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।

কমিটির কর্মপরিধি প্রসঙ্গে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে পেমেন্ট ইন্সট্রাকশন কিভাবে ও কার বরাবর গেলো, অবৈধ পরিশোধ ঠেকানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপের পর্যাপ্ততা, বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে গোপন রাখার যৌক্তিকতা, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা বা দায়িত্বে অবহেলা ছিলো কিনা, চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের সম্ভাবনা এবং গৃহীত কর্যক্রমের পর্যাপ্ততা, অনুরূপ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে সুপারিশ করতে তদন্ত কমিটিকে বলা হয়েছে।

ফেডারেল রিজার্ভ অব নিউ ইয়র্ক-এ রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি যাওয়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য এই কমিটি গঠন করছে সরকার।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..