বরিশালে অভিযানের পরও প্রশ্নবিদ্ধ ডিবি

বরিশালে অভিযানের পরও প্রশ্নবিদ্ধ ডিবি

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযানে ইয়াবাসহ দুই যুবককে আটক করেছে। তবে অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার প্রকৃত পরিমাণ এবং পরবর্তীতে দায়ের করা মামলার তথ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে নগরীর পোর্ট রোড এলাকায় অবস্থিত হোটেল স্বাগতম-এ ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে ডিবি পুলিশের ইনস্পেক্টর সুজিত গোমস্তার নেতৃত্বে এএসআই আমৃত পাল অভিযান চালিয়ে আলামিন ও জিসান নামে দুই যুবককে আটক করেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় আটক দুই যুবকের কাছ থেকে ২২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানের পর সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই অমৃত জানান, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। সে সময় উদ্ধার হওয়া মাদকের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় ওই দুই যুবকের কাছ থেকে প্রায় ২১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে কম সংখ্যক ইয়াবা দেখিয়ে মামলা দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে এএসআই অমৃত পাল জানান, এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তবে এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠেছে—যদি সত্যিই ২১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়ে থাকে, তবে মামলায় কেন মাত্র ২২ পিস ইয়াবা উল্লেখ করা হয়েছে? বাকি ইয়াবা কোথায় গেল এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—এসব বিষয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

এদিকে এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ইনস্পেক্টর সুজিত গোমস্তা জানান, অসুস্থতা কারনে সে অভিযানে ছিলো না, সকালে অফিসে গিয়ে জানতে পারে একটি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে এ ধরনের অভিযোগের পর ডিবি পুলিশের অভিযানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়েও স্থানীয় মহলে আলোচনা ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
সংবাদ প্রতিনিধি

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।