দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য সরকারের বিভিন্ন ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহের ত্রাণ মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম চলমান আছে। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহের মধ্যে চট্টগ্রামে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৫১৬ মে. টন চাল, ১৭.৫০ লাখ টাকা। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৮০৫ মে. টন চাল ৬৭.৫০ লাখ টাকা এবং ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৫৯২ মে. টন চাল, ১০৫ লাখ টাকা ।
কক্সবাজারে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৩৯ মে. টন চাল, ১.৯০ লাখ টাকা, শুকনো খাবার ১৬৭৮ প্যাকেট, ঢেউটিন ৭ বান্ডিল। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ১২৬ মে. টন চাল, ৫.১৫ লাখ টাকা এবং শুকনো খাবার ৪৭৭৮ প্যাকেট। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৫৩৫ মে. টন চাল, ২,৮৫,৬০,০০০ টাকা, ৪৮৯০ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং শুকনো খাবার ১২ হাজার প্যাকেট।
নোয়াখালীতে বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ শুকনো খাবার ১২০০ প্যাকেট। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ১০০ মে. টন চাল, ২০ লাখ টাকা এবং ৩৫৭৭.৮ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমি।
রাঙামাটিতে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ২০৫ মে. টন চাল, ১০ লাখ টাকা। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ২৯৫ মে. টন চাল, ৩৫ লাখ টাকা। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৫০০ মে. টন চাল, ২০ লাখ টাকা, ১৩০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং ৩৬৭৫ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি জমি।
খাগড়াছড়িতে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ১০০ মে. টন চাল, ৯.৫ লাখ টাকা, ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন। ইতোমধ্যে বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৩০০ মে. টন চাল, ৩০.৫ লাখ টাকা।
বান্দরবানে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ১২৪ মে. টন চাল, ৮০ হাজার টাকা, শুকনো খাবার ২০০ প্যাকেট। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৭৬ মে. টন চাল, ২ লাখ টাকা, শুকনো খাবার ৩৭১০ প্যাকেট। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৬৫ মে. টন চাল, ৪৩ লাখ টাকা, ১২০০ বান্ডিল ঢেউটিন, শুকনো খাবার ২২০০ প্যাকেট ও শিশু খাদ্য ২০০ প্যাকেট।




