বিশেষ প্রতিবেদকঃ সরকারি খরচে এ নির্বাচনী প্রচারাভিযান নির্বাচন কমিশনকে বন্ধ করতে হবে। না হলে বিএনপিকে জনসভা করার সুযোগ দিতে হবে। আমরা আগে বলেছি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রচারাভিযান লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নমুনা নয়। এখন দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেটে ভোট চাইছেন, আর আমাদের আদালতের বারান্দায় থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্যে করে এ কথা বললেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে গুলশান কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মওদুদ আহমেদ বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন ডিসেম্বরে ভোট হবে। তার এ অবস্থানে প্রশ্ন জাগে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আসলে কী। সাধারণত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়।
এদিকে, বিএনপির চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও খালেদার রায় ঘোষণা নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় গুলশান কার্যালয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি নেতারা। মির্জা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে জাপান, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সুইজারল্যান্ড, সৌদি আরব, কুয়েত, স্পেন, ডেনমার্ক, মরোক্ক, ভ্যাটিকান, থাইল্যান্ড ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন ড. মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সাবিহ উদ্দিন, এনাম আহমেদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।





